ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি থেকে আরাবুলকে সরাতে উঠেপরে লেগেছে ISF
রাজনীতিতে কখন কে কার বন্ধু আর কে কার শত্রু বুঝে ওঠা ভার। এদিকে এদিকে ভাঙড়ের আরাবুল ইসলামকে নিয়ে বেঁধেছে গোল। বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফে। তবে ভাঙড় দু’নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে সভাপতি হিসেবে থেকে গেছিলেন আরাবুল ইসলাম। এবার তাঁরই দল আইএসএফ ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে অনাস্থার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বারইপুর মহাকুমা শাসকের অফিসে এই বিষয়ে ডেপুটেশনও জমা দিয়েছেন।গত পঞ্চায়েত ভোটে আরাবুল ইসলামের নেতৃত্বেই ভাঙড় ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। আইএসএফ সেখানে পাঁচটি আসনে জিতেছিল, বাকি আসনগুলি ছিল তৃণমূলের দখলে।
এবার সেই পঞ্চায়েত সমিতিতে আইএসএফ-এর ৫ সদস্যের সঙ্গে তৃণমূল ছেড়ে বেশ কয়েকজন সদস্য যোগদান করে অনাস্থার ডাক দিয়েছে ভাঙড় দু’নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে। ফলেখুব শীঘ্রই অনাস্থা প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। হঠাৎ আরাবুলের বিরুদ্ধে কেন অনাস্থা প্রস্তাবের চিন্তাভাবনা আইএসএফের, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খোলেনি আরাবুল ইসলাম এবং ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী কেউই। ইতিমধ্যেই ভাঙড়ে বেশ কিছু তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা, এমনকী পঞ্চায়েত স্তরেও পঞ্চায়েত সদস্যরাও যোগদান করেছে আইএসএফে। একের পর এক পঞ্চায়েত আইএসএফ দখল নিয়ে ফেলেছে। এবার পঞ্চায়েত সমিতিও আইএসএফ দখল নেওয়ার পথে? তবে কবে ভোটাভুটি হবে, তা এখনও জানা যায়নি।
