আজ সকাল সাড়ে আটটায় মোদীর বাসভবনে মোদীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন এনসিপিআই সাংসদরা
কি হতে চলেছে এই সভায়। কৌতূহল সব মহলে। প্রধান প্রশ্ন,এনসিপিআই কি এন ডি এর সহযোগী হবে নাকি বিজেপির সঙ্গে মিশে যাবে। যদি বিজেপির সঙ্গে মিশে যাওয়ার প্রশ্ন ওঠে তাহলে তিনজন মুসলিম সাংসদ কি করবে তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠবে। আজ,শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সাংসদদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সারবেন তিনি। কীভাবে সংসদের অধিবেশনে অংশ নেবেন তাঁরা, সম্ভবত সে বিষয়ে কথা হতে পারে। শুক্রবারের বৈঠকে ২০ জন এনসিপিআই সাংসদ থাকবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। সূত্রের খবর, শুক্রবারের বৈঠকে যেতে পারেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান। তবে খলিলুর রহমান এবং আবু তাহের বৈঠকে অংশ নেবেন কিনা, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। কারণ, এনডিএ-র বৈঠকে ওই তিনজন যোগ দেননি। তাই মনে করা হচ্ছে সম্ভবত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকেও যোগ দেবেন না তাঁরা। এদিকে, আবার বৃহস্পতিবার ইউসুফ পাঠান, খলিলুর রহমান এবং আবু তাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন।
২০ জন সাংসদকে নিয়ে তৃণমূল ছাড়ার পরপরই দিল্লিতে ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আবেদন জানিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। চেয়েছিলেন, তাঁদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। এবং যেহেতু তাঁরা এনডিএ-র শরিক হতে চান, তাই লোকসভায় শরিকদলের পাশে আসন দেওয়া হোক। তাঁদের হাত ধরে এনডিএ বৃহত্তম শরিক পাচ্ছে। কারণ, এনডিএ-র আর কোনও শরিকেরই সাংসদ সংখ্যা এত নয়। অপেক্ষা ছিল, বাদল অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার তাঁদের স্বীকৃতি দেবেন। গত ১৯ জুলাই, বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক আগেরদিন এনসিপিআই-কে চিঠি লিখে সর্বদল বৈঠকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু।
