মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার
২০২৬ - মহানায়ক উত্তম কুমারের শতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্য সরকার টালিগঞ্জের কলাকুশলিদের নিয়ে এক গুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছেন। তারই অঙ্গ হিসাবে বৃহস্পতিবার নন্দনে এক সভা ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী-সহ তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী সহ বিজেপির বেশ কয়েকজন বিধায়ক যাঁরা টলিউডের সদস্য। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে নন্দনে এসেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী, মমতা শংকর, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, গৌতম ঘোষ, জিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, যিশু সেনগুপ্ত, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, বনি সেনগুপ্ত, কৌশানি মুখোপাধ্যায়, পায়েল সরকার সহ আরও অনেকে।উত্তমের অভিনয়শৈলী, ব্যক্তিত্ব আর অসামান্য শিল্পসাধনা বাংলা চলচ্চিত্রকে জীতায় ও আন্তর্জাতিকস্তরে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। ছাব্বিশ সালে উত্তম কুমারের জন্ম শতবর্ষে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।
উত্তমকুমারের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্ম শতবার্ষিকী মহাসমারোহে পালন করা হবে। মহানায়কের স্মৃতির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমার মুখ্যমন্ত্রীত্বের, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রীত্বের সময়কালে মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ পালন করার সুযোগ আমি পেয়েছি। এটা ঈশ্বরের আশীর্বাদ ছাড়া সম্ভব নয়। উত্তমকুমার নায়কদের নায়ক তাই তিনি মহানায়ক।’ উত্তম কুমারের জীবন এবং চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। ভারতীয় ডাক বিভাগও কিংবদন্তির জন্মশতবার্ষিকী পালনে সামিল হয়েছে। উত্তম কুমার ‘ডাক কভার’ স্মারক প্রকাশ করার ভাবনাও রয়েছে। মহানায়কের স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের জন্য হেরিটেজ ওয়াকের আয়োজন করা হবে। নিউ টাউনে ‘উত্তম কুমার জন্মশতবার্ষিকী ফিল্ম সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করার সংকল্প নেওয়া হয়েছে।