Type Here to Get Search Results !

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী নেপালে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে ১৬২

 শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী নেপালে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে ১৬২ 



  এটা কি প্রকৃতির প্রতিশোধ? প্রশ্ন উঠেছে অনেকের মনে? প্রকৃতির উপর মানুষের খবরদারির সীমা নেই। সেই কারণেই পাহাড়েও বাড়ছে উষ্ণায়ন। যতদূর জানা যাচ্ছে তারই ফলে ভেঙে গেছে তুষারধস। আর তার থেকেই এই ভয়াবহ কান্ড। এ যেন পাহাড়ে সুনামি। ডাইনোসরের মতো একের পর এক বিরাট জলের ঢেউ গ্রাস করল গোটা জনপদকে। প্রকৃতির এই ভয়াবহ প্রলয়লীলার ছবি সচরাচর দেখা যায় না। রৌদ্রজ্জ্বল সকালে আচমকা এইরকম ভয়াবহ সর্বগ্রাসী জলের স্রোত খ্যাপা ষাঁড়ের মতো পাহাড়ের উপর থেকে যে গর্জন করতে করতে নেমে আসবে তা আঁচ করেননি বাসিন্দারা। নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বুধবার সকালের এই ভয়ঙ্কর হড়পা বানে মৃত্যুর সংখ্যা কোথায় গিয়ে পৌঁছবে তা গভীর রাত পর্যন্তও আন্দাজ করা যায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে পর্যন্ত নেপাল সরকার ১৬২টি দেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে। নিখোঁজ অন্তত ৭৫০। এর মধ্যে ১৩৩ জন ভারতীয়-সহ ৪০০ বিদেশি রয়েছেন।


  কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রী কলকাতার ৩২ জনের একটি দলের খোঁজ নেই। তামিলনাডুর ৩৭ পর্যটকের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৮.৩৭মিনিটে তিব্বত সীমান্তে ভূমিকম্প হয়। এরপরই তুষারধস ঘটে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে ভোটেকোশী নদী দিয়ে হড়পা বান নেমে এসে প্রলয় ঘটায়। সম্পূর্ণ ধংসপ্রাপ্ত তিব্বত সীমান্তের নেপালি শহর রাসুয়াগাঢ়ি। নদীর দুপারে আনুমানিক ৫০ হাজার বাসিন্দার এই জনপদটি প্রায় নিশ্চিহ্ন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে নেপালি সেনা। বুধবার সকাল থেকেই ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে ক্ষীণতোয়া ভোটেকোশী নদী মুহূর্তে খ্যাপা ষাঁড়ের গতিতে ভাসিয়ে নিয়ে চলেছে আশপাশে থাকা ঘরবাড়ি, সেতু, জনবসতি, নগর সভ্যতার সমস্ত চিহ্ন। আরও একবার ভয়াবহ ধ্বংস ও হাহাকারের মুখে গৌতম বুদ্ধর দেশ।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.