Type Here to Get Search Results !

রাজ্যে 'র‍্যাডিক্যাল অ্যাগ্রেশন’ বন্ধ করতেই হবে - শমীক ভট্টাচার্য

 রাজ্যে 'র‍্যাডিক্যাল অ্যাগ্রেশন’ বন্ধ করতেই হবে - শমীক ভট্টাচার্য 



  প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমল থেকেই রাজ্যে চলেছে বিভিন্ন পথে অনুপ্রবেশ। তাকেই।'র‍্যাডিক্যাল অ্যাগ্রেশন’ নাম দিয়ে, তা বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি - জানালেন শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্যের পালাবদলের পর থেকে অনুপ্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতেই এগোচ্ছে সরকার। ‘ঘুষপেটিয়া’দের পাত্তারি গোটানোর সময় যে এসেছে, শুভেন্দু সরকারের অ্যাকশনেই, তা হারে হারে টের পেয়েছে এরাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে থাকা অনুপ্রবেশকারীরা। আর এই অনুপ্রবেশের আড়ালে সন্ত্রাসবাদীরাও নিজেদের ডালপালা বিছিয়েছে রাজ্যের আনাচে কানাচে? সেই প্রশ্ন উসকে দিয়েই অনুপ্রবেশকে ‘র‍্যাডিক্যাল অ্যাগ্রেশন’ বলে দাবি করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।


  এই বিষয়ে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অতিরিক্ত নজর দিতে চেয়েছেন শমীক। 

শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে করিডোর করে সন্ত্রাসবাদীরা যাতায়াত করছে ও স্থায়ী ডেরা গড়ছে। পাশাপাশি এই এলাকায় জাল আধার ও প্যান কার্ড তৈরির চক্র সক্রিয় বলেও দাবি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারাসত-টাকি রোডের শিমুলতলায় সমাজসেবী সুবীর শীলের পৃষ্ঠপোষকতায় চাকলা ও কচুয়া ধামের পুণ্যার্থীদের জন্য আয়োজিত সেবাশিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘সাইলেন্ট ডেমোগ্রাফিক ইনভেশন’-এর প্রসঙ্গ তুলে শমীক দাবি করেন, আশির দশক থেকেই এই পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে। তাঁর কথায়, “বিনাযুদ্ধে ভারতবর্ষকে দখল করার চক্রান্ত চলছে।”উদ্বাস্তু হওয়ার স্মৃতি টেনে বাংলাদেশে মন্দির, ইসকন ও বাঙালি ঐতিহ্যে হামলার অভিযোগ তুলে ঐক্যের ডাক দেন শমীক। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, “জাল আধার কার্ড, জাল প্যান কার্ড তৈরির হাব হয়ে উঠেছে এই এলাকা।” সীমান্ত জেলাগুলিকে করিডোর করে জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা স্থায়ী ডেরা গড়ছে বলেও দাবি করেন তিনি। “এই কারবার যে কোনও মূল্যে বন্ধ করতেই হবে” বলে হুঙ্কার শমীকের।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.