কৌস্তব বাগচীর নির্দেশে বারাকপুরে বেআইনি নির্মাণ বন্ধ হলো
শুধু শহর কলকাতা নয়, আসেপাশের বহু অঞ্চলে বেআইনি নির্মাণ হয়েই চলেছে। তৃণমূল আমলে তা চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েছিল। নতুন শুভেন্দু সরকার তা বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর। সেই উদ্দেশ্যই বিধায়ক,মন্ত্রীরা মাঝে মাঝেই বেরিয়ে পড়ছেন রাস্তায়। সংকীর্ণ গলির রাস্তার অংশ দখল করে চলছিল পাঁচতলা নির্মাণ। শুক্রবার পুর আধিকারিক ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। পুরসভার ১৬ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মাণ ও জমি সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখেন তিনি। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ওই নির্মাণ নিয়ে কৌস্তভের দাবি, জায়গাটিতে বড়জোর তিনতলা তৈরির অনুমতি পাওয়ার কথা। অথচ সেখানে পাঁচতলা কাঠামো উঠেছে। নির্মাণের চারপাশে প্রয়োজনীয় ফাঁকা জায়গা রাখা হয়নি। কাঠামোটির নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক।
বেআইনিভাবে রাস্তা দখল থেকে শুরু করে থুতু ফেলা, মলমূত্র ত্যাগ নিয়ে অপরিচ্ছন্ন করলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য প্রশাসন থেকে জনপ্রতিনিধি, নজরদারি চলছে। আর তাতেই নিয়ম বহির্ভূতভাবে নির্মাণকাজ রুখে দিলেন বারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। সঙ্গে সঙ্গে কাজ বন্ধ করে, বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশ দিলেন তিনি। কৌস্তভের এই ‘অ্যাকশন’ দেখে খুশি এলাকাবাসী। বলছেন, তৃণমূল জমানার অরাজকতা এবার শেষ হতে চলেছে। পুরসভাকে স্টপ ওয়ার্ক নোটিস জারি এবং নিয়ম মেনে ভাঙার কাজ শুরু করতে বলেন কৌস্তভ। শুক্রবার মহম্মদ আফজল খান নামে এক বাসিন্দার জমিও পরিদর্শন করেন বিধায়ক। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত জমির একাংশ দখল করে সেখানে আবর্জনা ফেলা এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। কৌস্তভের হস্তক্ষেপের পর ওই অংশে ফের সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়। পরিদর্শনের শেষে প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা নওশাদ আলমের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে নির্মাণে মদতের অভিযোগ তোলেন কৌস্তভ। তৎকালীন পুরবোর্ডের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের দাবি জানান তিনি।