বঙ্গের 'মাও ব্রিগেড' আপাতত শেষ - গ্রেফতার মঙ্গল ও মালতি
হ্যাঁ, বাংলার পুলিশের কাছে যা খবর, তারে মনে হচ্ছে, এবার শেষ হলো বাংলার 'মাও ব্রিগেড'। শনিবার দুপুরে ধৃত মাওবাদী মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রাম থেকে দু’জনকে পাকড়াও করা হয় বলে সূত্রের খবর। তবে তাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। শনিবার রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে জানা গিয়েছে, আকাশের গ্রেপ্তারের পরেই বঙ্গ ব্রিগেডের মাও দম্পতি মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলে অস্ত্র ফেলে ধৃত সহযোদ্ধার বাড়িতে আত্মগোপন করেছিলেন। অবশেষে আকাশের গ্রেপ্তারের দু’ দিনের মাথায় সশস্ত্র বিপ্লবে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে ‘একলা নিতাই ‘ হয়ে থাকা দুজন পুলিশের হাতে। এই দম্পতি পুলিশের হাতে চলে আসায় জঙ্গলমহলের পাশাপশি মাও বঙ্গ ব্রিগেডের সামরিক বাহিনীর শেষ পেরেক পুঁতল এসটিএফ। সাত লাখি এই মাও দম্পতি ধরা পড়ায় স্বস্তি মিলেছে বাংলা-ঝাড়খণ্ড পুলিশেরও।
পুলিশ সূত্রে খবর, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি থানার রঞ্ঝা গ্রামে বাড়ি পতিত মাহাতো ওরফে পাপ্পু ওরফে মঙ্গল ওরফে সমীর ওরফে পান্ডে-র। তিনি সিপিআই (মাওবাদী)-র সাব জোনাল কমিটির সদস্য। ফাইটার হিসাবে পরিচিত ঝাড়খণ্ড পুলিশ তাঁর মাথার দাম রেখেছিল পাঁচ লাখ টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রী মলিনা মুর্মু ওরফে মালতী ওরফে মালার বাড়ি ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার পাথরনাসা গ্রামে। তিনি ওই সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন। তার বিরুদ্ধেও দু’লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ঝাড়খণ্ড পুলিশ। মঙ্গলের হাতে জঙ্গল যুদ্ধে একে ৪৭ এবং মালতির হাতে ইন্সাস রাইফেল থাকত।