উত্তমস্মরণে পদযাত্রায় কলকাতায় 'চাঁদের হাট'
'জন্মশতবর্ষে' উত্তমকুমার - অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এক বর্ণাঢ্য পদযাত্রা বের হয়। সেই পদযাত্রায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তমকুমারের জীবন ও কর্মকাণ্ড ঘিরে প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র উৎসব, সেমিনার, সংবর্ধনা, ডাকটিকিট প্রকাশের পাশাপাশি ছিল বর্ণাঢ্য পদযাত্রা। মহানায়ককে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য আয়োজিত এই পদযাত্রা ‘ট্রিবিউট ওয়াক’। আলোকমালায় সাজানো রাস্তা, যেখানে টলিগঞ্জের শিল্পীদের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী। সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানেও শাড়িতেই মহানায়ক স্মরণ ঋতুপর্ণার। ‘নায়ক’ সিনেমার ছবি লাগানো টি-শার্ট পরে নন্দন থেকে শহরের ‘উত্তম করিডরে’ তারকাখচিত পদযাত্রার সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা।
এদিনের এই বিশেষ পদযাত্রায় ছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, যিশু ,সেনগুপ্ত, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টোরাজ, জিৎ, বিশ্বনাথ বসু, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অঞ্জনা বসু, রুদ্রনীল ঘোষ-সহ আরও অনেকে। নন্দন থেকে এই পদযাত্রায় ছিলেন চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী, হরনাথ চক্রবর্তীরাও। মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে শিল্পীদের সঙ্গে বিশেষ প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যজুড়ে চারদিন ধরে চলবে উত্তম-স্মরণ। পদযাত্রা শেষে বিশেষ বক্তৃতা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আজকের এই বিশেষ দিনে বাংলা সিনেদুনিয়ার স্বর্ণযুগ ফেরাতে অঙ্গীকারবদ্ধ। মঞ্চ থেকে দৃপ্ত কণ্ঠে বলেন, “দক্ষিণ ভারত, মুম্বই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে খুবই প্রাণবন্ত। আমরাই তো আগে ইন্ডাস্ট্রিকে লিড করতাম। ভারতবর্ষকেও লিড করতাম। এবার বলিউডকে টেক্কা দেবে টলিউড। আবার আগের জায়গায় ফিরতে হবে। তার জন্য বিধানসভায় এসে ছবির বাজেট, সিনেমার জন্য যা ছাড়পত্র প্রয়োজন সেগুলো বলুন। যদি আইন বদলানোর প্রয়োজন হয় সেটাও জানান। অমৃতকাল ফিরিয়ে আনার শপথ নিয়ে ৩ থেকে ৬ আনন্দ করব।”