বহু হোটেল রেঁস্তোরা পরীক্ষায় ফেল - সাময়িকভাবে বাতিল তাদের লাইসেন্স
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ও স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে সারা বাংলা জুড়ে শুরু হয়ে গেছে বিভিন্ন হোটেল রেঁস্তোরার খাদ্যের গুণমান বিচার। জানা যাচ্ছে, প্রথম পর্বে ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর চলবে নজরদারি। এখন পর্যন্ত ৯০১ টি রেস্তোরা থেকে স্যাম্পেল কালেক্ট করা হয়েছে। সাসপেন্ড করা হয়েছে ৫ টি দোকানের লাইসেন্স। কিছুদিনের জন্য বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে ১৩ টি রেস্তোরাঁ।শুধু খাবারের রেস্তোরা নয়, পাশাপাশি পানীয় জল কারখানাতেও নজর দিয়েছে রাজ্য সরকার। ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর চলবে নজরদারি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন, সমস্ত পানীয় জল কারখানা নিয়ম না মেনে পানীয় জল ‘প্যাজেকিং’ করছে অস্থায়ীভাবে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, খাবার-পানীয় জল পরীক্ষা করার জন্য বাংলাজুড়ে ত্রিশটি মোবাইল ল্যাবরেটরি ঘুরছে পাহাড় থেকে সমতল। সেই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা হচ্ছে কোথায় খাবার জলে ক্ষতিকর রাসয়নিক? কোথায় পানীয় জল অপরিস্কার। দু’টি ল্যাবরেটরি রয়েছে দার্জিলিং-এ। কলকাতার জন্য রয়েছে দু’টি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জানিয়ে নয়, চোরাগোপ্তা ভিজিটও হবে। মূল উদ্দেশ্য, জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা। যে খাবারটা আপনি খাচ্ছেন সেটা খেয়ে শরীর খারাপ যেন না হয় সেটার জন্যই এই পরিদর্শন। অপরিস্কার রান্নাঘর, প্রচুর বাসি মাছ-মাংস, খোলা ডাস্টবিন, মশলায় ছত্রাক, আধসেদ্ধ খাবার ফ্রিজে এই সমস্ত কারণের জন্য একাধিক রেস্তোরার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। তার মধ্যে রয়েছে মালদার জাইকা রেস্টুরেন্ট, শ্রীকৃষ্ণ সুইট শপ। মধ্যমগ্রাম স্টার মলের রঙ দে বাসন্তি ধাবা, সেক্টর ফাইভের আরডিবি মলের ‘অ্যাবসুলুট বারবিকিউ নেশন’, মধ্যমগ্রামের জাস্ট বাঙালি রেস্তোরা, উত্তর ২৪ পরগনার ‘বারবিকিউ নেশন, সেক্টর থ্রি-র ‘চৌরাসিয়া চাটস’, পানিহাটির চাকনাওয়ালা, বহরমপুরের বিশ্বাস বেকারি, সেক্টর ফাইভের ‘মেসাস কাঠি রোল।’