Type Here to Get Search Results !

গাছে বেঁধে পিটিয়ে খুন কংগ্রেস কর্মীকে - অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

গাছে বেঁধে পিটিয়ে খুন কংগ্রেস কর্মীকে - অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে
এই ঘটনা সামনে আসতেই তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এটা একেবারেই পাড়াগত গ্রাম্য বিবাদ। তবে যারাই করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন পদক্ষেপ করবে। ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।" ঘটনাটি ঘটে বুধবার গভীর রাতে ময়নাগুড়িতে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, মৃত কংগ্রেস কর্মীর নাম মানিক রায়। তিনি ময়নাগুড়ি কলোনির বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। বুধবার রাতে মানিককে এলাকার বেশ কয়েকজন তুলে নিয়ে যান। বাবাকে কেউ নিয়ে যাচ্ছে দেখে, পিছু নেয় মানিকের নাবালক ছেলে। সেই দেখে তার বাবাকে গাছে বেঁধে মারধর করা হচ্ছে। তারপর সেখান থেকে  নদী পেরিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট দৌড়ে থানায় যায় স্কুল ছাত্র। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। মানিককে উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। জানা যাচ্ছে, ২০১৯ সাল থেকে নারী নির্যাতনের মামলা নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত। সে সময়ে তাঁর বাড়িও ভাঙচুর হয় বলে অভিযোগ। তখন চাপে পড়ে বাধ্য হয়ে পাঁচ বছর ঘরছাড়া ছিলেন মানিক। পাঁচটা বছর শিলিগুড়িতে ছিলেন তিনি। পরে আলাপ আলোচনায় সমঝোতায় এসে সপ্তাহ খানেক আগেই বাড়ি ফিরেছিলেন।  কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর থেকে মানিককে আবারও শাসানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তাঁকে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তারই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটল বুধবার নিহতের স্ত্রী বলেন, “তৃণমূলের লোকেরা ওর নামে নারী নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পাঁচ বছর আমরা বাড়ি থেকে শিলিগুড়িতে ছিলাম। রবিবার বাড়িতে ফিরে আসি। এরপর বাপ্পা রায়, অমল দাস ওরা আবার এল আমাদের বাড়িতে। ওরা এসে বলে তোকে আজ ডিজেল দিয়ে পোড়াব, গাছে বেঁধে মারে। অস্ত্র দিয়ে মাথায় কোপাল।” স্বাভাবিক কারণেই এই নির্মম হত্যা কাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছে নাগরিক মহল।
Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.