Type Here to Get Search Results !

আলিপুর দুয়ারের 'লঙ্কাপাহাড়' - নতুন পর্যটন কেন্দ্র আকর্ষণ করছে পর্যটকদের

ভ্রমণ আলিপুর দুয়ারের 'লঙ্কাপাহাড়' - নতুন পর্যটন কেন্দ্র আকর্ষণ করছে পর্যটকদের
এক সময় আলিপুর দুয়ারের মানুষের প্রধান জীবিকা ছিল চা বাগান। পরে কিছুটা প্রাকৃতিক কারণে ও কিছুটা মালিক শ্রমিক সমস্যায় চা শিল্প এখন সম্পূর্ণ বন্ধ। এই পরিস্থিতিতেই তারা নজর দিয়েছে পর্যটন শিল্পে। আলিপুরদুয়ার জেলায় বেড়াতে এলে অবশ্যই আসুন লঙ্কাপাড়াতে। পাহাড়, নদী, জঙ্গল, চা বাগান সবই রয়েছে লঙ্কাপাহাড়ে। একদিকে ভুটান, উল্টো দিকে ভারত। মাঝে তিতি নদী। রয়েছে বন্যপ্রাণীরাও। এলাকার অপরূপ সৌন্দর্য্য মন কাড়বে আপনাদের।মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লকের লঙ্কাপাড়া বাগানের শ্রমিক কর্মচারীরা এই পর্যটন কেন্দ্রটি সাজিয়ে তুলছেন। এখানে তৈরী হয়েছে পর্যটকদের জন্য অত্যাধুনিক নানা ব্যবস্থা। স্থানীয় মানুষেরা বলেন, বাগান বন্ধ থাকায় কার্যত সমাজ বিরোধীদের আখরায় পরিণত হয়েছিল লঙ্কাপাহাড় । জেলা পুলিশের তরফে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত তৈরি করা হয়। কিন্তু তার পরেই আমূল পরিবর্তন হয় এই জায়গার। স্থানীওদের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এক পর্যটন কেন্দ্র। এলাকার আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে লঙ্কাপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেতর স্থানীয়ভাবে ছোটপাহাড় নামে পরিচিত একটি এলাকাকে পর্যটনের জন্য বেছে নেয় চা বাগান শ্রমিক এবং কর্মচারীদের নিয়ে গঠিত মনকামনা সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার কমিটি। তাদের উদ্যোগে নতুন সাজে সেজে ওঠে ওই অঞ্চল। স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে জানা গেলো ওই গ্রামটির নাম লঙ্কা গ্রাম। আর তার থেকেই ওই পাহাড়টি লঙ্কা পাহাড় নামে পরিচিত হয়। কিন্তু স্থানীয় মানুষের কাছে ওই পাহাড়টি 'ছোট পাহাড়' নামে পরিচিত। কমিটির ২১ জন সদস্য ২০২২ সাল থেকে উদ্যোগ নেয় পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার। পাহাড় চূড়ায় ওয়াচ-টাওয়ার, আই লাভ লঙ্কাপাড়া লেখা সেলফি পয়েন্ট, দোলনা-সহ সাঁজানো হয় এলাকাটি। ২০২৩ র ডিসেম্বর মাসে শুরু হয় এই পর্যটন কেন্দ্রেটির পথ চলা। আর তার পর থেকেই এই এলাকার সৌন্দর্য মন জয় করে নিয়েছে পর্যটকদের। আলিপুরদুয়ার মাদারিহাট থেকে ১৮ কিমি দূরত্বে অবস্থিত এই পাহাড় এখন পর্যটকদের আকর্ষণ করছে।
Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.