"নিজের পাড়ায় কুত্তাও রাজা হয় বাইরে বেরিয়ে এসো দেখে নেব", হুঁশিয়ারি কল্যাণের
"যাদবপুরে বাম অতিবাম ওসব শক্তিশালী ছেলেমেয়েদের আমাদের দেখা আছে , নিজের পাড়ায় কুত্তাও রাজা হয় বাইরে বেরিয়ে এসো দেখে নেব" হুঁশিয়ারি কল্যাণের।
গতকাল যাদবপুরে একটি প্রোগ্রাম ছিল,সেখানে শিক্ষা মন্ত্রী কে ঘিরে ধরে,চড় মেরে গাড়ির মধ্যে ঠেলে দিয়ে এটা আবার কি ধরনের আচরণ! আপনার যদি কোন ডিমান্ড থাকে তাহলে সেই ডিমান্ডটাকে অফিশিয়ালি জানাতে পারতেন,যেতে পারতেন। শিক্ষামন্ত্রী গেছে বলে তার ওপর ঝাপিয়ে পড়তে হবে। এটা আবার কি। বিগত সাত আট বছর ধরে দেখছি যাদবপুরের বাম এবং অতিবাম,এরা এমন একটা কাজ করছে যাতে যাদবপুর ইউনিভার্সিটি এর বদনাম হয়। এর আগে দেখেছি রেগিংয়ের জন্য মৃত্যু হয়েছে।তার আগে আরো অনেক ঘটনা ঘটেছে। এই যাদবপুর ইউনিভার্সিটির বাম এবং অতি বামরা আরজিকরের সময় ধুন্ধুমার করেছিল। এরা সিপিএম এর সব গুন্ডামি ছাড়া আর কিছু করতে জানেনা। ম. সেলিম মূলত একটি গুন্ডা দলের লোক, খুন ধর্ষণ এই সবে তিনি মাস্টার ছিলেন। এখনো খুঁজলে দেখা যাবে তার বুকে রক্তের দাগ লেগে আছে,এত খুন করেছে। এই সিপিএমের কাছে কোন ভদ্রতাও পাবে না,সভ্যতা ও পাবে না। সব জায়গাতেই শূন্য হয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই, তারপরে ওরা বাদরামো করছে অসভ্যতা করছে। এইতো ডানকুনিতে কয়েকদিন আগে ওদের রাজ্য সম্মেলন হলো তিন দিন ধরে। কোথাও কি এতটুকু গন্ডগোল হয়েছে? কেউ করতে পেরেছে! আপনারা যদি ব্রাত্য বসুর মতো শিক্ষামন্ত্রীকে মারেন, তাহলে আপনাদের রাজ্য সম্মেলনে সবাই তো মার খেয়েই চলে যেত। কিন্তু আমরা এইসব করি না। এসব অসভ্যতা করবেন না তাহলে কিন্তু আগামী দিনে আপনারাও মিছিল মিটিং করতে পারবেন না। আর যদি ভাবেন যাদবপুরে এসেছে বলে মস্তানি করে নেব তাহলে পশ্চিমবঙ্গে আরো কিন্তু অনেক মাঠ খালি আছে সেখানেও আমাদের ছেলেরা আছে। আপনাদের দাবি থাকতেই পারে, কিন্তু প্রত্যেকটা দাবি দাবা পেশ করার একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। আপনারা কি তার কাছে কোন রকম আগে থেকে এপয়েন্টমেন্ট চেয়েছিলেন! আমি রাস্তা দিয়ে একাই যাচ্ছি হঠাৎ করে বিজেপি আর সিপিএমের লোকরা এসে যদি আমাকে বলে, এটা আপনাকে করতে হবে তাহলে সেটা কি সমচিত হবে? কদিন লাগবে একটা বিজেপির এমপি বা কোন সিপিএমের নেতা কে রাস্তায় ধরে নিতে! এসব আমরা কেউ সহ্য করব না এসব সহ্য করার জন্য আমরা আসিনি। সিপিএমের বিরুদ্ধে আমরা অনেক আন্দোলন করে এসেছি তখন অনেক মার খেয়েছি মার খেয়েও দল করেছি।আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিপিএমকে হটিয়েছি। পশ্চিমবাংলায় এমন কোন জায়গা নেই ,এমন কোন পাড়া নেই, এমন কোন গ্রাম নেই যেখানে সিপিএমের অত্যাচার হয়নি,কিন্তু সেই অত্যাচার আমরা সবাই মিলে রুখে দিয়েছি।
তবে এরপর যদি এই ঘটনা আর দেখি সারা পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস কিন্তু রুখে দাঁড়াবে। আমি রবীন্দ্রসংগীত নজরুল গীতিতে বিশ্বাসী নই,যারা বিশ্বাসী তারা বিশ্বাসী। আমি ২০১০ সালে একটা ঘটনা বলি আমি তখন এমপি হয়েছি, সুদর্শন রায়চৌধুরী তখন সিপিএমের শিক্ষামন্ত্রী ছিল। চুঁচুড়ায় প্রোগ্রাম করতে গেছিল তখন পাপ্পুরা তাকে ঘেরাও করে রেখেছিল তখন শিক্ষামন্ত্রী আমাকে ফোন করেছিলেন।আমি এক ঝটকায় তাদেরকে বলি আগে শিক্ষামন্ত্রীকে ছাড়ো তারপর অন্য কথা হবে। আমরা এই কালচারে বিশ্বাস করি। যাদবপুরে বাম অতিবাম ওসব শক্তিশালী ছেলেমেয়েদের আমাদের দেখা আছে , নিজের পাড়ায় কুত্তাও রাজা হয় বাইরে বেরিয়ে এসো দেখে নেব।
