আর জি কর কাণ্ডে ফের ঘুম ভেঙে জেগে উঠেছে CBl
বিরোধীদের অভিযোগ CBI কোনো তদন্তে নামলেই কিছুদিনের মধ্যেই শীতঘুমে চলে যায়। আর জি কর কাণ্ডেও তার ব্যতিক্রম হয় নি। ৮ মাস ধরে তদন্ত করে নতুন কোনো তথ্য সামনে আনতে পারে নি। চলে গিয়েছিল শীতঘুমে। কিন্তু কোনো অজ্ঞাত কারণে আবার জেগে উঠেছে CBI। আর জি কর খুন ও ধর্ষণ মামলায় এবার কলকাতা পুলিশের ১১ জন আধিকারিককে তলব করল সিবিআই। ঘটনার দিন টালা থানা ও আর জি কর হাসপাতালের ফাঁড়ির এই ১১ জনই ডিউটিতে ছিলেন বলে খবর। অতিরিক্ত চার্জশিট পেশের আগে এই তলব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। সোমবার ও মঙ্গলবার - দুভাগে ভাগ করে তাদের ডাকা হয়েছে। গত আগস্ট থেকে আর জি কর কাণ্ডে উত্তাল বাংলা। ইতিমধ্যেই মূল দোষী সঞ্জয় রাইকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে ওই মামলায় ধৃত আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে পারেনি সিবিআই। ফলে জামিন পেয়েছেন দু'জনই। পরবর্তীতে সিবিআই আদালতে জানায়, তাঁরা অতিরিক্ত চার্জশিট পেশ করবে। চার্জশিট পেশ করার আগেই এবার টালা থানা ও আর জি কর হাসপাতালের ফাঁড়ির ১১ জন পুলিশকর্মী ও আধিকারিককে জেরা করতে চান সিবিআই আধিকারিকরা।
CBI জানতে পেরেছে, ঘটনার দিন অর্থাৎ ৯ আগস্ট এই ১১ পুলিশ কর্মীর সঙ্গে টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল একাধিকবার ফোনে ও সামনাসামনি কথা বলেছিলেন। তিনি ও সন্দীপ ঘোষ তাঁদের বিভিন্ন নির্দেশও দেন। এই নির্দেশগুলি অতিরিক্ত চার্জশিটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই চার্জশিট পেশের আগে তাঁদের বয়ানকে গুরুত্ব দিচ্ছে সিবিআই। মূলত সোমবার ও মঙ্গলবার ওই পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের সিবিআই জেরা করবে। এরপর সিবিআইয়ের পক্ষে এই সপ্তাহ বা পরের সপ্তাহের মধ্যে শিয়ালদহ আদালতে অতিরিক্ত চার্জশিট পেশ করা হতে পারে, এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
