পাসপোর্ট জালিয়াতিতে বিরাটি থেকে ধৃত আজাদ আসলে পাকিস্তানের নাগরিক
গ্রেফতার হওয়ার পরে সে জানিয়েছিল যে সে বাংলাদেশের নাগরিক। কিন্তু ইডির তদন্ত করে জেনেছে আজাদ আসলে পাকিস্তানের নাগরিক। মঙ্গলবার
আদালতে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, ২০১৯ সালে বাংলাদেশি পাসপোর্টের মাধ্যমে ভিসার আবেদন করে ধৃত আজাদ মল্লিক। এরাজ্যে ১২ বছর ধরে ছিল সে। কী উদ্দেশ্যে সে ভারতে এসেছিল তা তদন্ত করে দেখছে ইডি। ১৫ দিন আগে বিরাটিতে তাঁর গ্রেফতারির সময় প্রতিবেশীরা জানিয়েছিল,অনেক বছর ধরেই আজাদ সেখানে থাকত। ইডির আরও দাবি, বাংলায় ঢুকে ভোটার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্সও বানিয়ে ফেলেছিল আজাদ মল্লিক। এরাজ্যের দুটি ভোটার কার্ড ছিল তার নামে। পাক নাগরিক হয়ে বাংলায় ঢুকে কীভাবে এত নথি বানিয়ে ফেলল আজাদ? তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
এদিকে আদালতে আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে ইডি। ধৃত আজাদের অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা রয়েছে বলে দাবি ইডির। কোথা থেকে এল এত টাকা? নতুন করে হেফাজতে নিয়ে আজাদকে জেরা করবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখন প্রশ্ন, বিদেশি আর কাদের জাল নথি তৈরি করে দিয়েছে ধৃত আজাদ? তার সূত্র ধরে এভাবেই বহু বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি বাংলায় ঢুকে ভোটার কার্ড, লাইসেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি বানিয়ে নিয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা ইডির। প্রসঙ্গত, নববর্ষের দিন গভীর রাতে কলকাতা বিমানবন্দরের কাছের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয় আজাদকে।
