অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান - মুখ্যমন্ত্রীর হাতে খুলে গেলো দিঘার জগন্নাথধাম
মাহেন্দ্রক্ষণে মন্দিরের উদ্বোধনের আগে শিল্পী ও স্থপতিদের অভিনন্দন জানালেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যাঁরা ৩ বছর ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সকলের সহযোগিতা না পেলে এই মন্দির করা যেত না।" অক্ষয়তৃতীয়ার পুণ্য তিথিতে দুপুর ৩টে থেকে ৩টে ১৫ মিনিট পর্যন্ত শুভ সময়। তার মধ্যেই মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর মন্দিরের দরজা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। মমতা জানান, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে প্রতিদিন দারুব্রহ্ম মূর্তির পুজো হবে। মঙ্গলবার ধ্বজা ওড়ানো হয়েছে। গত ৭ দিন ধরে কলসযাত্রা থেকে যজ্ঞ হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ ও একটা ছোট্ট ছবি বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে। পাশাপাশ এও বলেন, "আমার মতে, এই মন্দির আগামী হাজার হাজার বছর তীর্থস্থান ও পর্যটনস্থল হিসেবে উন্মাদনার প্লাবন তৈরি করবে। এই মন্দির সকলের জন্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, সবারে করি আহ্বান।" উল্লেখ্য, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে পুরীর মন্দিরের মতো কোনও পোশাকবিধি রাখা হয়নি।পাশাপাশি,পুরীর মন্দিরের ন্যায় অহিন্দুদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিঘার মন্দিরে রাখা হয়নি। মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন করে গর্ভগৃহ পর্যন্ত পৌঁছন মমতা। সোনার বেশে সুসজ্জিত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহের সামনে পর্যন্ত গিয়ে আরতিও করলেন মুখ্যমন্ত্রী। হাতে নিয়ে দেখেন সোনার ঝাড়ু। উল্লেখ্য, পুরীর মতোই দিঘার মন্দিরে এই সোনার ঝাড়ু দিয়েই পরিষ্কার করা হবে। আর তা উপহার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। মন্দিরের অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ ১ টাকা দিয়েছেন তিনি। বিকেলে শুরু হয়ে যাবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
