দীর্ঘরাত্রির পর এখন কেমন আছে জম্মু-কাশ্মীর?
১৯৭১ সালের পরে ভারতের এমন আগ্রাসী রূপ দেখে সন্ত্রস্ত পাকিস্তান। শুক্রবার ভোররাতেও নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে বিকট বিস্ফোরণের শোনা যায় জম্মু ও কাশ্মীরে। জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানি সেনা আবার শেলিংও জারি রাখে গভীর রাত পর্যন্ত। এদিকে এই হামলার যোগ্য জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাও। রিপোর্ট অনুযায়ী, গভীর রাতে জম্মু, পাঠানকোট, উধমপুর এবং আরও কয়েকটি এলাকায় ভারতীয় সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাকিস্তান থেকে ক্রমাগত গুলি ও রকেট ছোড়া হয়। আকাশে তাদের সবাইকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে ভারত। রাতে জায়গায় জায়গায় বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছিল গতকাল। তবে আপাতত আর কোথাও সেরকম কিছু নেই। এদিকে আজ সকালে গোলাগুলি কিছুটা থেমেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে তাদের বাড়ির ভিতরেই থাকতে বলা হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে। এরই সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ২ দিনের জন্যে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
তবে আজ সকালের দিকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে সাধারণ মানুষকে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে। তবে রাস্তায় যান চলাচল তুলনায় কম ছিল জম্মুতে। এর আগে ভোররাত পর্যন্ত পাকিস্তানি ড্রোন নষ্ট করেছে ভারত। উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। এর জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জনের জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এর জবাবে ভারতও পালটা শেলিং চালিয়েছে। এরই মধ্যে ৭-৮ মে-র মাঝের গভীর রাতে পাকিস্তান ভারতের ১৫টি শহরে সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। তবে ভারত সেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করে এস ৪০০ সুদর্শন চক্র ব্যবহার করে।
