চন্ডিগরের কাফি এখন সকলের অনুপ্রেরণা
অধ্যবসায় এবং দৃঢ় সঙ্কল্পের এক অনুপ্রেরণাদায়ক গল্পে যেন দৃষ্টান্ত গড়লেন ১৭ বছর বয়সী কাফি। চণ্ডীগড়ের সেক্টর ২৬-এর ব্লাইন্ড স্কুলের ছাত্রী সে। আর নিজের স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড পরীক্ষায় সবথেকে বেশি নম্বর পেয়ে সকলকে যেন তাক লাগিয়ে দিয়েছে এই ছাত্রীটি। পেয়েছেন ৯৫.৬ শতাংশ নম্বর। তবে কাফির এই যাত্রাটা কিন্তু মসৃণ ছিল না। অ্যাসিড হামলার শিকার হয়েছিল এই কিশোরী। সেই হামলার ক্ষতকে পিছনে ফেলে তার এমন সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়! এরপর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনার্স পড়তে চায় কাফি। আর তার দু’চোখে এখন আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন।
মাত্র ৩ বছর বয়সে অর্থাৎ ২০১১ সালের হোলির সময় অ্যাসিড হামলার শিকার হয়েছিল কাফি। আসলে সেই সময় হরিয়ানার হিসার জেলায় বুধানা গ্রামে থাকত সে। সেখানেই ঈর্ষার কারণে তিন প্রতিবেশী মিলে ছোট্ট কাফির উপর অ্যাসিড হামলা চালিয়েছিল। আর সেই হামলায় পুড়ে গিয়েছিল তার মুখ এবং হাত। নষ্ট হয়ে গিয়েছিল তার দৃষ্টিশক্তিও। এই এত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও হাল ছাড়েনি কাফি। বরং নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে লড়াই চালিয়ে গিয়েছে সে।
