Type Here to Get Search Results !

ভারতীয় সেনা জওয়ান এর বাড়িতে হুমকি চিঠি।!

 ভারতীয় সেনা জওয়ান এর বাড়িতে হুমকি চিঠি।!





পাকিস্তানের জয়, বাংলাদেশের জয়, ভারতীয় সেনা জওয়ান এর বাড়িতে হুমকি চিঠি। চরম আতঙ্কে পরিবার।



কর্মরত সেনা জওয়ানের বাড়িতে এবার হুমকির পোস্টার। চরম আতঙ্কে পরিবার। ভুগছেন নিরাপত্তাহীনতায়। নদীয়ার শান্তিপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারো উঠছে ভারত বিদ্বেষ প্রশ্ন। নদীয়ার শান্তিপুর থানা এলাকার ঘটনা। জানা যায় শান্তিপুরের সেনা জওয়ান বিশ্বজিৎ নাগ বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ত্রিপুরায়। স্ত্রী সুপর্ণা নাগ, দুটি সন্তান নিয়ে বাড়িতে একাই থাকেন। অভিযোগ শুক্রবার সকালে বাড়ির উঠোন ঝাড় দিতে গিয়ে দেখে কাগজের পড়ে রয়েছে, তাতে লেখা রয়েছে পাকিস্তানের জয়, বাংলাদেশের জয়, ত্রিপুরায় আছে, বাংলাদেশীদের ধরছে। বাড়িতে একা আছে। এরপরেই চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ তৈরি হয় স্ত্রী সুপর্ণা নাগের। তার দাবি যেহেতু স্বামী একজন সেনা জওয়ান কর্মসূত্রে রয়েছে ত্রিপুরায়, এই পরিস্থিতিতে চলছে ভারত এবং পাকিস্তান যুদ্ধ। বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে ত্রিপুরায় সেনাবাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, আর সেখানেই রয়েছে তার স্বামী। বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে বাড়িতে এই ধরনের হুমকির পোস্টার পড়ায় রীতিমতো আতঙ্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেনা জওয়ানের দাদা কাজল নাগের দাবি, ভাই এই ঘটনা জানার পর খুবই উদ্বিগ্ন। তারাও যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা নেয়া উচিত, কারণ একদিকে যেমন ভারত বিদ্বেষ,অন্যদিকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশী প্রেমিক রাই এই ঘটনার সাথে যুক্ত। তবে এই মুহূর্তে সেনা জওয়ানের পরিবার নিরাপত্তাহীনতার কারণে শান্তিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

অন্যদিকে এই ঘটনার চরম নিন্দা করে বিজেপি নেতা সোমনাথ কর। তিনি বলেন শুধু মাত্র এই ঘটনা নয়, গোটা দেশ জুড়ে ভারত বিরোধীরা ছড়িয়ে রয়েছে। অবিলম্বে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 


প্রশ্ন উঠছে যে ভারতের বীর সেনা নিজের জীবনকে বাজি রেখে দেশ রক্ষার জন্য বাড়ি ছেড়ে বহুদূরে পড়ে রয়েছে, কি করে তার বাড়িতে এমন লেখা কাগজ উদ্ধার হয়। কেনই বা দেশে থেকে তার পরিবার আতঙ্কে ভুগবে। যদি কোন অভিযুক্ত এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকে অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার যে যে আইন রয়েছে সেই আইনে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে দাবি পরিবার এবং স্থানীয়দের।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.