Type Here to Get Search Results !

এ কোন সমাজে বসবাস করছি আমরা?যেখানে টাকার কাছে হার মানছে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ক?

 এ কোন সমাজে বসবাস করছি আমরা?যেখানে টাকার কাছে হার মানছে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ক?  






এ কোন সমাজে বসবাস করছি আমরা?যেখানে টাকার কাছে হার মানছে স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার সম্পর্ক? যানাযায় উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার উত্তর পাঁচপোতা গ্রামের ৩৫ বছরের মুসলিমার ১৬ বছর আগে বিয়ে হয় নদীয়ার ধানতলা থানায় পানিখালি হুদা গ্রামের সরিফুল মন্ডলের সাথে। তাদের দুটো ছেলে সন্তান ও আছে। অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই বাবার বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য মুসলিমার উপরে অত্যাচার করতো দিনের পর দিন। জামাইয়ের চাহিদা মেটাতে বাধ্য হয়ে জমি বিক্রি করে ২ লক্ষ টাকা তার হাতে তুলে দিয়েছিলো মুসলিমার বাবা। তবুও মুসলিমার উপরে তার স্বামী অত্যাচার চালিয়ে গেছে দিনের পর দিন । জানাযায় অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মুসলিমা বাপের বাড়ি পালিয়ে চলে যায় বহুবার। যতবার মুসলিমা বাবার বাড়িতে গেছে ততবার তার স্বামী শশুর বাড়িতে গিয়ে হাতে পায়ে ধরে মুসলিমা কে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে । কিন্তু এতদিন কার সমস্ত অত্যাচার কে পেছনে ফেলে আজ দুপুর ১ টার সময় সরিফুল তার নিজের শোবার ঘরের দড়জা ভেতর থেকে আটকে দিয়ে শাবল দিয়ে একের পর এক প্রহার কোরে নিজের স্ত্রী মুসলিমা কে চিরনিদ্রায় পঠিয়ে দেয় । যানাযায় পরবর্তী তে তাদের বড় ছেলে সিঁড়ির ঘর দিয়ে ভেতরে ঢুকে তার মায়ের কাছে যায়। তখনি সে ফোন করে তার মামাবাড়িতে সব ঘটনা বলে। তারপরেই তসলিমাকে নিয়ে আড়ংঘাটা হাসপাতালে নিয়া আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দেখে বলেন সে চিরনিদ্রায় চলে গেছে। তার পরেই ধানতলা থানার পুলিশ তসলিমার শীতল দেহটি ধানতলা থানায় নিয়া আসে। এই ঘটনার কথা শুনেই মুসলিমার বাড়ির লোকজন ছুটে আসে সরিফুলের বাড়িতে। অভিযোগ তার পরেই সুযোগ বুঝে সাইকেল নিয়ে পালিয়ে ধানতলা থানায় আত্মসমর্পণ করে সরিফুল। তার পরেই মুসলিমার বাড়ির লোকজনেরা সরিফুলের কঠোর শাস্তির দাবীতে ধানতলা থানায় এসে সোচ্চার হয়। এদিকে ধানতলা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে সরিফুলের বাড়ি সহ ঘিরে ফেলে পুরো এলাকা । আজই মুসলিমার শীতল দেহ ময়না তদন্তের জন্য রানাঘাট পুলিশ মর্গে পাঠায় ধানতলা থানার পুলিশ।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.