Type Here to Get Search Results !

ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আরও বিপাকে সন্দেশখালির ‘বাঘ’ শেখ শাহজাহান

 ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আরও বিপাকে সন্দেশখালির ‘বাঘ’ শেখ শাহজাহান


   সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহান আবার খবরের শিরোনানে। সন্দেশখালিতে তিন বিজেপি কর্মী খুনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। আর সেই কেস গেলো সিবিআই -এর হাতে। কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখল বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের ডিভিশন বেঞ্চ। তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই আরও বিপাকে সন্দেশখালির ‘বাঘ’ শেখ শাহজাহান। কারণ, তিন বিজেপি নেতা খুনে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। জানা গিয়েছে. ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে সন্দেশখালির ভাঙ্গিপাড়ায় রাজনৈতিক অশান্তি চলছিল। ৮ জুন সেই আবহে সন্দেশখালিতে একই পরিবারের দুই বিজেপি কর্মী খুনের অভিযোগ ওঠে। এখনও পর্যন্ত ওই পরিবারের একজন নিখোঁজ। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। সেই থেকেই বার বার করে খবরের শিরোনামে এসেছে শেখ শাজাহান।



  অভিযোগ, দুই বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডলকে গুলি করে খুন করা হয়। মাথায় গুলি লেগে মৃত্যু হয় কায়ুম আলি মোল্লা নামে এক তৃণমূল কর্মীরও। অপর দিকে, বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্য দেবদাস মণ্ডল নিখোঁজ রয়েছেন। সে সময় মৃতদের পরিবারের তরফে ন্যাজাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগে সন্দেশখালির বেতাজ বাদশাহ শেখ শাজাহানের নাম থাকলেও, পরে যখন মামলা সিআইডি হাতে নেয় এবং আদালতে চার্জশিট পেশ হয়, তখন দেখা যায় শাহজাহানের নামই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার চার বছর পর সিবিআই চার্জশিটকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মামলা করেন মৃতার স্ত্রী পদ্মা মণ্ডল।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আরও বিপাকে সন্দেশখালির ‘বাঘ’ শেখ শাহজাহান


   সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহান আবার খবরের শিরোনানে। সন্দেশখালিতে তিন বিজেপি কর্মী খুনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। আর সেই কেস গেলো সিবিআই -এর হাতে। কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখল বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের ডিভিশন বেঞ্চ। তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই আরও বিপাকে সন্দেশখালির ‘বাঘ’ শেখ শাহজাহান। কারণ, তিন বিজেপি নেতা খুনে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। জানা গিয়েছে. ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে সন্দেশখালির ভাঙ্গিপাড়ায় রাজনৈতিক অশান্তি চলছিল। ৮ জুন সেই আবহে সন্দেশখালিতে একই পরিবারের দুই বিজেপি কর্মী খুনের অভিযোগ ওঠে। এখনও পর্যন্ত ওই পরিবারের একজন নিখোঁজ। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। সেই থেকেই বার বার করে খবরের শিরোনামে এসেছে শেখ শাজাহান।


  অভিযোগ, দুই বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডলকে গুলি করে খুন করা হয়। মাথায় গুলি লেগে মৃত্যু হয় কায়ুম আলি মোল্লা নামে এক তৃণমূল কর্মীরও। অপর দিকে, বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্য দেবদাস মণ্ডল নিখোঁজ রয়েছেন। সে সময় মৃতদের পরিবারের তরফে ন্যাজাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগে সন্দেশখালির বেতাজ বাদশাহ শেখ শাজাহানের নাম থাকলেও, পরে যখন মামলা সিআইডি হাতে নেয় এবং আদালতে চার্জশিট পেশ হয়, তখন দেখা যায় শাহজাহানের নামই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার চার বছর পর সিবিআই চার্জশিটকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মামলা করেন মৃতার স্ত্রী পদ্মা মণ্ডল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.