পূর্ব বর্ধমানের নতুন 'শাজাহান' - সন্ত্রস্ত এলাকার মানুষ
সন্দেশখালির শেখ শাজাহানের কথা আমাদের মনে আছে। তৃণমূল নেতা শেখ শাজাহানের অত্যাচারে এলাকার বাঘে গরুতে এক ঘটে জল খেত। তেমনই এক নতুন সহজাহানের সন্ধান পাওয়া গেলো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের শেখ ফিরোজ় নামে এক তৃণমূল নেতার। ফিরোজ়ের বিরুদ্ধে সরব হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বেরুগ্রাম অঞ্চলের চক্ষণজাদি, চককৃষ্ণপুর, শম্ভুপুর,জামুদহ-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তাঁদের আর্জি, ফিরোজ়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হোক। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার সায়ক দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বেরুগ্রামের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমাকে খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।’’ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা এবং পরবর্তী কালে নানা অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছিল তৃণমূল। একই ভাবে কি ফিরোজ়ের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে? রবীন্দ্রনাথ বলেন, ‘‘যা শুনছি, তা যদি সত্য হয়, তা হলে দল অবশ্যই পদক্ষেপ করবে।’’ ফিরোজের বাড়ি বেড়ুগ্রাম অঞ্চলের চক্ষণজাদি গ্রামে। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, ফিরোজ় তৃ়ণমূলের কোনও বড় পদে নেই। তবে তাঁর স্ত্রী ২০১৮ সাল থেকে বেরুগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। গ্রামবাসী জহিদ মণ্ডল বলেন, ‘‘স্ত্রী পঞ্চায়েত প্রধান হওয়ার পর থেকেই গ্রামের বেতাজ বাদশা হয়ে উঠেছে ফিরোজ়। ২০২১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় ফেরার পরে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন উনি।’'
