বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ের "চা কালচার" সকলের দৃষ্টি কেড়েছে
'চা' আমাদের জীবনের সঙ্গী। 'চা' ছাড়া আমরা জীবনের কথা ভাবতেই পারি না। চা এবং আড্ডা যেন সমার্থক শব্দ। পুতিন থেকে ট্রাম্প কিংবা আইনস্টাইন থেকে রবীন্দ্রনাথ। চায়ের ঠেকে মস্তিষ্ক চর্চা করতে ভালোবাসে বাঙালি। তবে চা মানেই কলকাতা নয়! আড্ডা মানেই কলকাতা নয়। বাঁকুড়াতে রয়েছে এমন একটি জায়গা যেখানে চায়ের কালচার হার মানাবে কলকাতাকে। বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ের "চা কালচার" হার মানাবে বড় শহরগুলিকেও। সাধারণ লিকার চা, দুধের চা ছাড়াও মালাই চা, উটের দুধের চা পাওয়া যায় দোকানে দোকানে। পান করেন পর্যটক এবং অন্যান্য জেলার মানুষ।
কলকাতায় থাকেন? তাহলে নিশ্চয়ই মালাই চা এর নাম শুনেছেন। কিন্তু যদি একবার সুযোগ পান তাহলে চলে আসুন বাঁকুড়া জেলার বেলিয়াতোড়ে। বাঁকুড়া থেকে দুর্গাপুর যেতে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী যামিনী রায়ের জন্মস্থান বেলিয়াতোড়। বাঁকুড়া জেলার বেলিয়াতোড়ের নাম মেচা সন্দেশের হাত ধরে প্রসিদ্ধি পেলেও টপ ট্রেন্ডিং- এ এসেছে মালাই চায়ের জন্য।বেলিয়াতোড় এর মালাই চা স্বাদে এবং গন্ধে সম্পূর্ণ ভিন্ন। কুড়ি টাকা, ৪০ টাকা এবং ৬০ টাকা দামের মালাই কেশর চা বর্তমানে বাঁকুড়ার "মোস্ট ওয়ান্টেড" । এছাড়াও আছে ১০ টাকার মালাই চা। রোমিও জুলিয়েটের মতোই যেন মালাই চায়ের পারফেক্ট সঙ্গিনী ১০ টাকার গরম চপ।
