Type Here to Get Search Results !

ফিরহাদ হাকিমের কথা রাখলেন কোন্নগর পৌরসভার

 ফিরহাদ হাকিমের কথা রাখলেন কোন্নগর পৌরসভার



  কাঠে শবদাহের দিন শেষ। কাঠে দাহ করলে যেমন গাছ কাটার প্রবনতা বাড়ে তেমনই পরিবেশ দূষিত হয়। তাই হুগলির কোন্নগরে তৈরি হচ্ছে প্রথম পরিবেশ বান্ধব বৈদ্যুতিক চুল্লি। মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মিটতে চলেছে চুল্লি নির্মাণকে ঘিরে। কোন্নগর পুরসভা এলাকায় গঙ্গার পাড়ে রয়েছে বহু প্রাচীন শ্মশান ঘাট। সেই শ্মশানে এতদিন কাঠ পুড়িয়ে মৃতদেহ সৎকার করা হত। ফলে এলাকায় দূষণ ছডাত। কোন্নগর পৌরসভার তত্ত্বাবধানে রাজ্য সরকারের ২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশ বান্ধব ইলেকট্রিক চুল্লি। কোন্নগর পৌরসভার পৌরপ্রধান স্বপন দাস বলেন, দেহ সৎকারের সময় যে দূষিত ধোঁয়া বাইরে সরাসরি গিয়ে বাতাসে মিশ্রিত হত, এই ক্ষেত্রে সেটি হবে না। এই পরিবেশ বান্ধব ইলেকট্রিক চুল্লিতে দেহ সৎকারের সময় যে ধোঁয়া নিষ্কাশন হবে, সেই ধোঁয়াই এবার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে পরিশ্রুত করে চুঙ্গির মাধ্যমে উপরে উঠে যাবে। 


  আগে এই শ্মশান ঘাটে কাঠের আগুনে শবদাহ করা হত। পরিবেশ দূষণের জন্য তা বন্ধ হয়েছিল। এই পরিবেশ বান্ধব চুল্লি চালু হলে কোন্নগর পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড-সহ কানাইপুর, নবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত ও ডানকুনি-সহ আশেপাশের এলাকা থেকে শবদেহ সৎকার করার সুবিধা পাবে। উত্তরপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক তথা কোন্নগরের বাসিন্দা প্রবীর ঘোষাল বলেন, এটা অত্যন্ত একটা প্রয়োজনীয় জিনিস। যেটা কোন্নগর পুরসভা করছে। এর জন্য চেয়ারম্যান স্বপন দাস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই। মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের যজ্ঞের মধ্যে রয়েছেন। গত বছর কোন্নগর বইমেলায় এসে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলে গিয়েছিলেন। তারপর তিনি এর অনুমোদন দেন। এটা অত্যন্ত ভাল কাজ হয়েছে সাধারণ মানুষের জন্য।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.