পুজো-পার্বন (২৫ তারিখ)
মেদিনীপুরের পুজোতে এবার সমস্ত অভিনব থিমের ছড়াছড়ি
কলকাতা বা কল্যাণী থেকে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই মেদিনীপুরের পুজো। খুব ভালো বাজেটের বেশ কয়েকটা পুজো তো সকলের নজর কাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। কোথাও আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ছোট্ট দ্বীপ, আবার কোথাও সমতলেও পাহাড় দর্শন, চা বাগানের মধ্য দিয়ে ছুটে চলেছে টয়ট্রেন মাথার উপর দিয়ে চলছে রোপওয়ে। আদতে সত্যি মনে হলেও সত্যি নয়। দেবী দশভূজার আরাধনার আয়োজনে প্যান্ডেলে নানান থিমে ফুটিয়ে তুলেছেন উদ্যোক্তারা। কোথাও আবার জলের পাউচকে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন গোটা পুজো মন্ডপ। জেলাজুড়ে গ্রাম থেকে শহর শহরতলী এলাকায় বিভিন্ন থিমে সাজানো হয়েছে মন্ডপ। স্বাভাবিকভাবে সকাল থেকে রাত বেশ নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষের।
এ মন্ডপ যেন আন্দামানের ক্ষুদ্র এক সংস্করণ। যেখানে ঢুকলেই আপনাদের স্বাগত জানাবে জারুয়া পরিবারের সদস্যরা। মন্ডপের প্রবেশদ্বারের মধ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গে আপনি হারিয়ে যাবেন সবুজ দ্বীপ আন্দামানের জগতে। হোগলা পাতা, বেলপাতা, নারকেল পাতা সহ বিভিন্ন ধরনের শুকনো ফুল এবং পাট কাঠি দিয়ে তৈরি হয়েছে গোটা মন্ডপটি। কয়েকদিন আগেই বন্যার জলের স্তর নেমেছে এই এলাকা থেকে আর তারপরেই তড়িঘড়ি যুদ্ধকালীন তৎপরতাই পুজো মন্ডপ তৈরির কাজে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লেগেছেন এলাকার মানুষজন। আর যার ফলশ্রুতি দেখতে পাচ্ছে গোটা জেলা। পরিবেশবান্ধব জিনিসপত্র সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার করে তাক লাগিয়েছে এই কমিটির সদস্যরা। শুধু তাই নয় জেলার অন্য প্রান্তে, পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার দেউলি যুবতীর্থ ক্লাব এবারে তাদের থিমে এনেছেন বদল। এক টুকরো দার্জিলিংকে ফুটিয়ে তুলেছেন সমতলে। যেখানে পাহাড়ি এলাকায় দার্জিলিং স্টেশন, সিটি বাজিয়ে ছুটে চলেছে টয়ট্রেন। মাথার উপর দিয়ে চলছে রোপওয়ে। ধাপ চাষে করা হয়েছে চায়ের চাষ। স্বাভাবিকভাবে পুজোর ছুটিতে যারা দার্জিলিং ঘুরতে যেতে পছন্দ করে, তাদের কাছে এক টুকরো দার্জিলিংকে পরিবেশন করেছে এই ক্লাব।
