'দুর্নীতি মুক্ত নেপাল গড়াই আমাদের অঙ্গীকার' - শাসনভার নিয়েই বললেন সুশীলা কারকি
নেপালের গণ বিদ্রোহ মূলত তরুণ সমাজের বিদ্রোহ ও তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সরকারের সর্বস্তরে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছিল। তরুণ সমাজের আকাঙ্খা কোনও কিছুই পূরণ হচ্ছিল না। মসনদে বসে দুর্নীতিমুক্ত নেপাল গড়ার বার্তা দিলেন অন্তবর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি। শুক্রবার নেপালের জাতীয় দিবস উপলক্ষে বক্তব্য রাখেন সুশীলা। তিনি বলেন, “আমাদের সংবিধানে সুশাসন এবং সমৃদ্ধি প্রদানের চেতনার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এতদিন সেগুলি পূরণ হয়নি। তাই জন্যই এত বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে। এই সত্যিটা আমাদের মেনে নিতে হবে।"
এই প্রসঙ্গেই তিনি আরো বলেন, "নেপালের বুকে সাম্প্রতিক এই আন্দোলন তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষের প্রতিফলন ঘটায়। এতদিন তাঁদের আশা-আকাঙ্খা কোনও কিছুকেই মান্যতা দেওয়া হয়নি।”প্রসঙ্গত ৫ হাজার যুব আন্দোলনকারী একটি ভারচুয়াল বৈঠক করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে কারকির নাম প্রস্তাব করে। জানা যায়, তরুণ প্রজন্ম কারকির কাছে প্রস্তাব নিয়ে গেল তিনি সমর্থনের জন্য কমপক্ষে ১,০০০ লিখিত স্বাক্ষর চেয়েছিলেন। যদিও তাঁকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসাবে সমর্থন করে ২,৫০০-রও বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ হয়। এরপর নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বসার জন্য সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেল ও প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌডেলেরও অনুমোদন পেয়ে যান কারকি।
