গান-এর জবাব রানে দিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা
গ্রুপে সব ম্যাচ জিতে সুপার ফোরে জায়গা করে নিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদবরা। সুপার ফোর অভিযানও শুরু হল জয় দিয়ে। জোড়া অস্বস্তি অবশ্য থাকল। জসপ্রীত বুমরাকে ওমান ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বুমরা ও বরুণ দুজনেই ফিরেছেন। পাওয়ার প্লে-তেই তিন ওভার বোলিং করানো হয় বুমরাকে দিয়ে। বাকি এক ওভার স্লগে। উইকেটহীন থাকলেন বুমরা। তাতে অবশ্য তেমন কোনো সমস্যা হয় নি। চারটি ক্যাচ ফসকায় ভারত। ফিল্ডিং কোচের জন্য যা মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই একপেশে। যদিও পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের সময় মনে হয়েছিল, জোরদার লড়াই হবে। টস জিতে রান তাড়ার সিদ্ধান্ত নেন সূর্যকুমার যাদব। অবস্থানে অনড় ভারতীয় দল। এ দিনও পাক অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলাননি ভারতের ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব।
অবস্থানে অনড় ভারতীয় দল। এ দিনও পাক অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলাননি ভারতের ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব। পাকিস্তানের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান হাফসেঞ্চুরির পর ব্যাটকে বন্দুকের মতো ধরে সেলিব্রেশন করেন। গান-র জবাব রানে দিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। এক সময় মনে হয়েছিল, দুই ওপেনারই ম্যাচ ফিনিশ করে ফিরবেন। শেষ অবধি ১৮.৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যপূরণ ভারতের। পাকিস্তানের দ্বিতীয় উইকেট পার্টনারশিপ দুর্দান্ত হওয়ায় প্রথম ১০ ওভারেই ৯১ রান তুলেছিল। একেক সময় মনে হয়েছে, ২০০ হতে পারে। যদিও শিবম দুবে এই পার্টনারশিপ ভাঙতেই ম্যাচে ফেরে ভারত। ইনিংসের শেষ তিন ওভারে কিছুটা রান করে পাকিস্তান। শেষ অবধি ভারতের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ১৭২ রানের।
রান তাড়ায় শুরু থেকেই অভিষেক শর্মা ও শুভমন গিলের প্রতিযোগিতা চলল, কে দ্রুত রান তুলতে পারেন। ওপেনিংয়েই সেঞ্চুরি প্লাস পার্টনারশিপ। মাত্র ৮.৪ ওভারেই একশো ভারতের। দ্রুত ম্যাচ ফিনিশ করাতেই নজর ছিল। যদিও শুভমনের পায়ে টান ধরায় ছন্দপতন হয়। সাময়িক বিরতির পর বোল্ড শুভমন। তিনে নামা ক্যাপ্টেন স্কাই রান পাননি। বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ফেরেন অভিষেক। ক্রিজে দুই নতুন ব্য়াটার তিলক ও সঞ্জু থাকায় রান তাড়া কিছুটা মন্থর হয়। তবে ২০ ওভারের আগেই যে ম্যাচ ফিনিশ করবে ভারত, নিশ্চিত ছিল। হলও তাই। মহালয়ায় পাক-বধ ভারতের। সব মিলিয়ে জমজমাট খেলা দেখলো দর্শকেরা।
