দিল্লিতে আবার ভয়ঙ্কর গাড়ি বিস্ফোরণ - নিহত অন্তত ১১ জন
আবার দিল্লিতে সেই ভয়াবহ রাত। রাত ৭টা নাগাদ দিল্লিতে ঘটে এক ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। দিল্লির বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত নিহত ১১ জন ও আহত ৩০ জন। জানা গিয়েছে, আহতদের ক্ষত মূলত আগুনের কারণেই হয়েছে। অর্থাৎ কোনও আইইডি বা ওই স্তরের বোমার বিস্ফোরণ নয়। অর্থাৎ সন্দেহভাজন গাড়িতেও বোমা তৈরির মালমশলা বহন করা হচ্ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে ঘোষণা করেনি কেন্দ্র। ঘটনাস্থলে সোমবার রাতেই পৌঁছে গিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি তার আগেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন। জানান, ‘সব সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হবে। সিসিটিভিও সব খতিয়ে দেখা হবে। যা যা তথ্য পাওয়া যাবে, সেই সব কিছুই জনগণের সামনে নিয়ে আসা হবে।’ প্রসঙ্গত সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, এটি কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলা কি না। এই ব্যাপারে অমিত বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত না হয়ে এটি বলা যাবে না।’ বিস্ফোরণস্থলে যাওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালেও এদিন গিয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, গাড়ির প্রথম মালিক সলমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই এবার জানার চেষ্টা চলবে গাড়িটির বাকি তথ্য। সোমবার রাতের বিস্ফোরণের সঙ্গে কোনও ভাবে সে যুক্ত কি না তাও খতিয়ে দেখা হবে। গুরুগাঁও পুলিশের মুখপাত্র সন্দীপ কুমার জানিয়েছেন, গাড়িটির মালিকানা সম্পর্কে বর্তমানে দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গাড়িটি মহম্মদ সলমন নামে এক ব্যক্তির নামে নথিভুক্ত ছিল। সে পরে গাড়িটি বিক্রি করে দেবেন্দ্র নামে এক ব্যক্তিকে। প্রায় দেড় বছর আগে সে গাড়িটি ওখলার বাসিন্দা দেবেন্দ্র নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়। কিন্তু এই ঘটনাতেই উঠে আসছে নাদিম নামে আরেক ব্যক্তির নাম। রিপোর্ট মোতাবেক, তিনি ছিলেন গাড়িটির বর্তমান মালিক।এখন দেখার শেষ পর্যন্ত পুলিশ কোন সূত্র খুঁজে পায়।
