রাজ্যপালের অনুমোদনের পরে 'কর্মশ্রী' হলো 'মহাত্মাশ্রী
'
বিতর্কটা একদম সাম্প্রতিক। কেন্দ্রীয় সরকার মনরেগা (মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট) থেকে মহাত্মা গান্ধী নামটা বাদ দিয়েছেন। তার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার 'মহাত্না গান্ধী' সেন্টিমেন্টকে ভোট বাক্সে কাজে লাগাতে রাজ্যপালের অনুমতিক্রমে তৃণমূল 'কর্মশ্রী'কে করলেন 'মহাত্মাশ্রী'। একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের নাম থেকে ‘জাতির পিতা’ মহাত্মা গান্ধীকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে বলে সরব হন বিরোধীরা। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা রাতভর সংসদের সামনে ধরনায় বসেছিলেন। এনিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রস্তাব করেন, রাজ্যের ‘কর্মশ্রী’ প্রকল্পের নাম বদল করে মহাত্মা গান্ধীর নামানুসারে হোক ‘মহাত্মাশ্রী’। মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রস্তাবকে সিলমোহর দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী অর্থবর্ষ থেকে ‘কর্মশ্রী’ প্রকল্পের নাম হবে ‘মহাত্মাশ্রী’।
বছরে ১০০ দিনের কাজ হবে এই প্রকল্পের আওতায়। যাঁদের জবকার্ড রয়েছে, তাঁরা এই প্রকল্পে কাজ পাবেন। আগামী অর্থবর্ষ থেকে ‘মহাত্মাশ্রী’ প্রকল্পে আরও বেশি মানুষের যাতে কর্মসংস্থান হয়, সেটাই লক্ষ্য রাজ্য সরকারের। এভাবেই মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানাতে পদক্ষেপ নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।
