মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অপমানিত হয়ে রাষ্ট্রপতি পদ ছাড়তে চলেছেন মহম্মদ সাহাবুদ্দিন
আর বেশি রাখ-ঢাক নয়, এখন তো প্রকাশ্যেই মহম্মদ ইউনুস পাকিস্তানের ইশারায় চলেছেন। সমামভাবে চলেছে তাঁর ভারত বিরোধিতা। কিন্তু সকলেই ইউনুসের এই স্বৈরাচারী মনোভাব মানতে পারছেন না। সামনেই বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। তারপরই ইস্তফা দিতে চান সে দেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তিনি অপমানিত। সেই কারণেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মাঝ পথে তিনি রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়তে চাইছেন। সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বোমা ফাটান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে তাঁকে কোণঠাসা করে রাখার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমি সরে যেতে চাই। আমি চলে যেতে আগ্রহী। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।”
স্বাভাবিক কারনেও এই নিয়ে বিতর্ক তৈরী হয়েছে বাংলাদেশে। ইউনুসের বিরুদ্ধে অনেকেই ক্ষুব্ধ। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন যে প্রায় সাত মাস ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি। তাঁর জনসংযোগ বিভাগ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এমনকী, গত সেপ্টেম্বরেই বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে তাঁর (রাষ্ট্রপতি) ছবি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “সব কনস্যুলেট, দূতাবাস ও হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতির ছবি ছিল। হঠাৎ এক রাতেই সেগুলি উধাও করে দেওয়া হয়েছে। এতে মানুষের কাছে একটি ভুল বার্তা গিয়েছে যে সম্ভবত রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি খুবই অপমানিত বোধ করেছিলাম।”
