মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর বাঁকুড়া সফর - বাঁকুড়া থেকে '২৬ এর লড়াইয়ের সূচনা
আজ, সোমবার থেকেই বাঁকুড়ায় কমিশনের শুনানি শুরু। সেই আবহেই মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বেশ বোঝাই যাচ্ছে ওখান থেকে লড়াইয়ের বার্তা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। দুপুর ১২টা নাগাদ বড়জোড়ার বীরসিংহ ময়দানে তাঁর জনসভা। এই সভা থেকে এসআইআর পদ্ধতির বিরোধিতার পাশাপাশি ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া জিততে কী সুর বেঁধে দেন তিনি, সেদিকে নজর সকলের। বড়জোড়া শিল্পাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির দোলাচলে। একদিকে দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চলের প্রভাব, অন্যদিকে বাঁকুড়ার গ্রামবাংলার ভোটব্যাঙ্ক – এই দুয়ের মাঝখানে বড়জোড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কারখানা-নির্ভর শ্রমিক ভোট যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রান্তিক কৃষক ও পরিযায়ী শ্রমিক পরিবার।
২০১১ সালের পর এই এলাকায় তৃণমূলের সংগঠন শক্ত হলেও লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রভাব যে বেড়েছে, তা অস্বীকার করছেননা তৃণমূল নেতারাই। সেই ফাঁক পূরণ করতেই মঙ্গলে মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে দেখছে শাসক দল। এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরে প্রস্তুতি একেবারে তুঙ্গে। বড়জোড়ার বীরসিংহ ময়দানে তৈরি হয়েছে সভামঞ্চ। তার দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ ফুট, প্রস্থ ৬০ ফুট। সামনে আলাদা ভিআইপি করিডর ও মিডিয়া গ্যালারি রাখা হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা এলাকা, খনি সংলগ্ন বসতি এবং পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে মানুষ আনতে একাধিক রুটে পরিবহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।
