সম্পাদকীয়
ISI এখন ইউনিউসের মদতে ঢাকায় বসেই করছে ভারত বিরোধী পরিকল্পনা
ভারত সরকার সবটাই অবগত। সব কিছুর উপর নজরও রাখছে। তবে জোর করে ওরা যদি যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়, তাহলে কিন্তু ওদের কপালে দুঃখ আছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আপাতত সে দেশের প্রশাসন চালাচ্ছেন ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। তখন থেকেই ইউনুসের পাক-প্রীতি ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে এসেছে। কয়েকমাস আগে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল শাহিদ শামসাদ মির্জা ও তাঁর প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরে যান। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বৈঠক হয় দু’পক্ষের। এরপরই ঢাকায় আইএসআইয়ের কার্যালয় খোলার অনুমোদন দেন ইউনুস।
তখন থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল, ভারতের প্রায় নাকের ডগায় পাক গুপ্তচর সংস্থার উপস্থিতি দেশে সন্ত্রাসবাদকে ফের উসকে দিতে পারে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষাও কিছুটা চাপের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল আন্তর্জাতিক মহল। বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, “আইএসআইয়ের ঢাকা সেলের প্রাথমিক লক্ষ্য হল বাংলাদেশের শাসনভার জামাতের হাতে তুলে দেওয়া, যাতে দেশে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করা যায়। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে বিকল্প হিসাবে তাদের লক্ষ্য হল নির্বাচন বিলম্বিত করা।” তবে একটি সূত্রের দাবি, পাক গুপ্তচর সংস্থার বৃহত্তম লক্ষ্য হল ভারত। তারা পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি করতে চায়। তবে ভারত সরকার ১০০ ভাগ সতর্ক আছে।
