সম্পাদকীয়
এবার আমেরিকা ও ইরান মুখোমুখি - উদার বিশ্বমানবতা
জ্বলছে ইরান, জ্বলছে মধ্য প্রাচ্যের একটা বড়ো অংশ। মৃত্যু হচ্ছে শত শত মানুষ, মৃত্যু হচ্ছে মানবতা। সেই মুহূর্তে ইরানকে হুঙ্কার দিচ্ছেন ট্রাম্প। কোনও আন্দোলনকারীকে ফাঁসি দিলে কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না আমেরিকা। সংঘাত আবহে ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। অন্যদিকে, ট্রাম্পকে তোপ দেগে পালটা দিয়েছে তেহরান। দেশের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি বলেন, “খুনিতো আপনিই।” কট্টরপন্থী ইসলামী শাসনের বিরুদ্ধে ইরানে (Iran) শুরু হয়েছে গণবিক্ষোভ। গত দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি। সম্প্রতি ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ মোবাহেদি আজাদ হুঁশিয়ারি দেন, এবার কেউ বিক্ষোভে শামিল হলেই তাঁকে ‘ঈশ্বরের শত্রু’ তকমা দিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, আন্দোলনকারী ২৫ বছরের এক যুবককে ইতিমধ্যেই ফাঁসির সাজাও শোনানো হয়েছে। এক ভয়ঙ্কর আমানবিক কাজ।
মঙ্গলবার এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমে ট্রাম্প বলেন, “ইরানে যদি আন্দোলকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, তাহলে আমেরিকা কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না। ভয়ংকর কিছু ঘটবে।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকির পরই তাঁকে পালটা তোপ দেগেছে তেহরান। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ইরানের জনগণকে হত্যা করছেন দু’জন। প্রথম ব্যক্তি হলেন ট্রাম্প এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।’ তাঁর অভিযোগ, দেশে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির জন্য দায়ী ওয়াশিংটন এবং তেল আভিব। এই দুই দেশ ইরানকে অশান্ত করছে। হিংসায় উসকানি দিচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ভয়ঙ্কর রুপ নিতে চলেছে মধ্যপ্রাচ্য। কিন্তু নীরবে সব দেখছেন বিশ্বের তাবড় দেশের নেতারা।
.jpeg)