খালেদার শেষযাত্রায় জয় শঙ্করের উপস্থিতি, তারেককে মোদীর শোকবার্তায় সম্পর্কের নয়া সরণির বার্তা
বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শেষ যাত্রায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয় শঙ্করের উপস্থিতিকে দু'দেশের সম্পর্কের উন্নয়নে নয়া পথে চলার বার্তা হিসেবে দেখছে কূটনৈতিক মহল। বিদেশ মন্ত্রীকে খালেদার শেষ যাত্রায় প্রতিনিধি করে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতের প্রথমেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার ঢাকায় জয় শঙ্করের চার ঘন্টার ঝটিকা সফরকে বাংলাদেশের তরফেও সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনার সূচনা বলে বর্ণনা করা হয়।
বিশেষ বিমানে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় পৌঁছে খালেদা জিয়ার পুত্র তথা বিএনপি'র কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জয়শঙ্কর। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের একটি কক্ষে বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে মিলিত হন তারেক। ভারতের বিদেশ মন্ত্রী সেখানেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফে শোকবার্তা তারেক জিয়ার হাতে তুলে দেন। ওই সময় দুই নেতাই দু'দেশের সম্পর্কের উন্নতির বিষয়ে সামান্য সময় কথা বলেন।
তারেক জিয়াকে লেখা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশের সদ্যপ্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণা করেছেন। ২০১৫ সালে মোদীর ঢাকা শহরের সময় বিরোধী নেত্রী খালেদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেই সময় দুজনেই দু'দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করে উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করেন।
জয় শঙ্করের বুধবারের ঢাকা সফর নিয়ে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ এক্স পোস্টে লিখেছেন, ভারতের মাননীয় বিদেশ মন্ত্রী ড. এস. জয় শঙ্করের চার ঘণ্টার ব্যস্ত সফর বাংলাদেশ ও ভারত বর্তমান বাস্তবতা এবং পারস্পরিক স্বার্থ, নির্ভরতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে একটি নতুন অধ্যায় রচনার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তারেক জিয়ার সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত আলোচনায় এই বিষয়ে কথা হয়।
