শুভেন্দুর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ - রিপোর্ট চাইলো দিল্লি
আর মাত্র ৩/৪ মাসের মধ্যেই ভোট। বাংলার প্রাক-ভোট পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। শনিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পুরুলিয়া থেকে ফেরার সময় চন্দ্রকোনা রোডে তার গাড়ি ঘিরে ব্যাপন প্রতিবাদ জানায় তৃণমূল কর্মীরা। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীক রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে। এদিকে, শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগে একাধিক জেলায় বিক্ষোভে নেমেছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। জানা যাচ্ছে,শনিবার পুরুলিয়ায় কর্মসূচি সেরে ফিরছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডে তাঁর গাড়ি পাশ করার সময় রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। রাস্তা উল্টোদিকে তৃণমূলের পতাকা হাতে দাঁড়িয়েছিলেন বেশ কয়েকজন। অভিযোগ, শুভেন্দুর গাড়ি আসতেই হামলা চালানো হয়। বিধানসভার বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ১২-১৫ জন গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। পুলিশের মদতেই এই হামলা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। হামলাকারীদের সঙ্গে পেট্রল-ডিজেল ছিল বলেও তিনি দাবি করেন।
এই ঘটনায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি সোজা চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে পৌঁছে যান। হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। আইসির রুমে মেঝেতে বসে পড়েন। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না দোষীদের গ্রেফতার করা হবে, ততক্ষণ তিনি অবস্থান বিক্ষোভ করবেন।ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়। তৃণমূলকে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেদিন থেকে হারিয়েছেন, সেদিন থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হচ্ছে।” পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা হয়নি। জয় বাংলা স্লোগান দিচ্ছিলেন। সেই স্লোগানও সামলাতে পারেননি তিনি।” আবার শুভেন্দুকে খোঁচা দিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “চন্দ্রকোনায় ভুল করে বিজেপি কর্মীদেরই পেটালে কেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী জবাব দাও।” সমস্ত বিষয়টা এখনও বেশ উত্তেজনাময় হয়ে রয়েছে।
