Type Here to Get Search Results !

ইসলামিক ধৰ্মীয় বিধান উপেক্ষা করে সলিমনের গলায় রুদ্রাক্ষের মালা

 বিনোদন 


ইসলামিক ধৰ্মীয় বিধান উপেক্ষা করে সলিমনের গলায় রুদ্রাক্ষের মালা 



  আমাদের সকলের ভাইজানকে তাঁর পদবির জন্য বার বার করে কটু কথার সম্মুখীন হয়েছেন। এমনকি তাঁর বাড়ি লক্ষ করে গুলিও ছোঁড়া হয়েছে। তবুও তিনি অটল তাঁর ধর্ম নিরপেক্ষতা আদর্শতে। কখনও সিনেমার মাধ্যমে সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিয়েছেন তো কখনও বা আবার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা খুলে দুস্থদের সাহায্য করে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি আদতে মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী। তাঁর বাড়িতে যেমন ঘটা করে গণেশ চতুর্থী, দিওয়ালি পালন হয়, তেমনই ঈদ উদযাপন হয়। ধর্ম নিয়ে কোনওদিনই ছুঁৎমার্গে ভোগেন না ভাইজান। এবার সোনায় মোড়া রুদ্রাক্ষের মালা ‘চকচক’ করে উঠল সলমনের গলায়! সম্প্রতি শখের পোষ্যের সঙ্গে একটি আদুরে ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন বলিউড সুপারস্টার। যেখানে হাঁটু মুড়ে বসে সেই সারমেয়র গায়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দিতে দেখা যায় ভাইজানকে। তবে সেই ফ্রেম আপাতত লাইমলাইটে ভিন্ন কারণে। নেটপাড়ার নজরে সলমনের সোনার মালা। যা নিয়ে আপাতত দ্বিখণ্ডিত নেটভুবন। একাংশের দাবি, ভাইজানের গলায় যে গয়না দেখা যাচ্ছে, সেটা নাকি রুদ্রাক্ষ দিয়ে তৈরি। যদিও সেই ত্বত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে সোশাল পাড়ার একাংশ আবার দাবি করেছে, জ্যোতিষের পরামর্শেই এহেন ‘কণ্ঠী’ উঠেছে সুপারস্টারের গলায়। 


  তবে এই ‘রুদ্রাক্ষ ত্বত্ত্ব’ যেমনই হোক না কেন, আপাতত নেটভুবনে চর্চার শিরোনামে সলমনের গলার মালা। অনুরাগীরাও শিবশক্তির কথা উল্লেখ করে মন্তব্য বাক্সে ‘হর হর মহাদেব’ মন্ত্র আউড়েছেন। কেউ বা আবার বলছেন, ‘সনাতনীর শক্তি এমনই ম্যাজিক্যাল।’ সলমন অবশ্য বরাবরই হিন্দুধর্মের প্রতি অগাধ সম্মানের নিদর্শন রেখেছেন। সলিম ধর্মাবলম্বী হলেও গোমাংস ছুঁয়ে দেখেন না তিনি। এপ্রসঙ্গে একবার ভাইজান বলেছিলেন, “আমার বাড়িটাই একটুকরো হিন্দুস্তান। আমি গোমাংস এবং পর্ক (শুয়োরের মাংস) ছাড়া সবকিছু খাই। গোমাতা তো আমাদেরও মা। আমি বিশ্বাস করি, সেই অর্থে আমারও মা। আসলে আমার নিজের মা হিন্দু ধর্মাবলম্বী। আর বাবা মুসলিম। এদিকে আমার আরেক মা হেলেন খ্রিস্টান। আমার মায়ের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকি আমি। আমার কাছে সব ধর্মই সমান। প্রত্যেকেরই উচিত সর্বধর্ম সমন্বয়ে বিশ্বাস করা।”

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.