Type Here to Get Search Results !

আনন্দপুরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১, মিসিং ডায়েরি ১৫


আনন্দপুরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১, মিসিং ডায়েরি ১৫


  আনন্দপুর কান্ড চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো আমরা কতটা সুরক্ষাহীন। একের পর এক জলা বুজিয়ে ভরে উঠেছে বিভিন্ন কারখানা আর তারপর সেখানে বেআইনি নির্মাণ। এমনকি দমকলমন্ত্রী বলতে বাধ্য হয়েছেন -'জতুগৃহ'। প্রশাসন বলে কিছু আছে বলে মনে হয় না। মধ্যে শুধু কোটি কোটি টাকার খেলা চলেছে। মানুষের জীবনের মূল্য প্রায় শূন্যতে নেমে এসেছে। 

কান্নার রোল পরিবারে। শোকস্তব্ধ পরিজনরা। এরইমধ্যে আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে আরও বেড়ে গেল মৃতের সংখ্যা। ঘটনার পর থেকেই খোঁজ মিলছিল না বহু মানুষের। বিভিন্ন জেলা থেকে কাজে এসেছিলেন শ্রমিক, ঠিকাদাররা। কিন্তু ঘটনার পর আর তাঁদের দেখা পাওয়া যায়নি। খবর শুনেই কলকাতায় ছুটে আসেন পরিজনরা। থানায় হয় মিসিং ডায়েরি। অন্যদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চাপানউতোর শুরু হয়ে যায়। দমকলের ভূমিকা নিয়ে উঠতে থাকে প্রশ্ন। পাশাপাশি ওই এলাকায় কারখানা-গোডাউন তৈরির অনুমতি নিয়েও চলতে থাকে চাপানউতোর।


  আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে দীর্ঘক্ষণ জেরার পর বেশি রাতে গ্রেফতার ডেকরেটর গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস। ১৪ টি মিসিং ডায়েরি ছিল। রাতে আরও একটা বেড়েছে। অর্থাৎ মোট ১৫টি মিসিং ডায়েরি হয়েছে জানালেন বারুইপুর জেলা পুলিশের এসপি। আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আরও ৩টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। এথনও পর্যন্ত মোট উদ্ধারের সংখ্যা ১১। সমস্ত এলাকা একদম থমথমে হয়ে আছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.