আন্তর্জাতিক
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনৈতিক অবস্থা বেশ গভীর সংকটে
নিজের হাতে আইন আছে বলেই তার যথেচ্ছ প্রয়োগ করা যে গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জাক তা বার বার করে প্রমাণিত। দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষেত্রেও তাই। দেশেজুড়ে মার্শাল ল ঘোষণা করে এবার নিজেই জেলবন্দি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইউলকে পাঁচ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে সে দেশের আদালত। তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন বিরোধী আইনজীবী। সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী মাসে।
২০২৪ সালে নিজের দেশেই মার্শাল ল জারি করার ব্যর্থ চেষ্টা করেন ইউন। এরপরেই তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিতেও বাধা দেন তিনি। এরপরে তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইমপিচ করা হয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আচমকা জারি করা মার্শাল লয়ের প্রভাব পরে দেশজুড়ে। এর বিরুদ্ধে পথে নামে দেশের সাধারণ মানুষ। মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে আইন বাতিল করতে বাধ্য হন ইউল। ২০২২ সালে প্রেসিডেন্টের মসনদে বসেন ইওল। তার পর থেকেই তিনি সংসদের নিজস্ব ব্যবস্থা প্রয়োগ করতে লাগাতার চেষ্টা করে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু সেখানে বিরোধী দলগুলি সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে পড়ে তাঁর দল পিপল পাওয়ার পার্টি তথা পিপিপির থেকে। সম্প্রতি ২০২৫ সালের বাজেট বিলকে কেন্দ্র করে শাসক পিপিপি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান বিরোধী দলের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
