অফবিট
কলকাতার কয়েকটি পাঠাগার আছে, যেখানে সদস্য না হয়েও আপনি গিয়ে বই পড়তে পারেন
এখন অবশ্য পাঠক সংখ্যা একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। তবুও তো কিছু পাঠক আছে যারা বই পড়তে ভালোবাসেন। কিন্তু পাঠাগার কোথায়? আজ তেমনই কয়েকটি পাঠাগারের সন্ধান দিছি যেখানে সদস্য না হয়েও আপনি গিয়ে বই পড়তে পারবেন।
* জগৎ মুখার্জি পার্ক লাইব্রেরি
সকাল সাতটাতেই খুলে যায় এই পাঠাগার, খোলা থাকে রাত নয়টা পর্যন্ত। বর্তমানে দায়িত্বে রয়েছেন পার্কেরই নিরাপত্তারক্ষী সত্যরঞ্জন দোলুই। বিরল ম্যাগাজিন থেকে শুরু করে ছোটদের ক্লাসিক— হাজারেরও বেশি বইয়ের সম্ভার রয়েছে এখানে। ঠিকানা – ১, যতীন্দ্র মোহন অ্যাভেন্যু, শোভাবাজার।
* দাস গুপ্ত অ্যান্ড কোম্পানি ওপেন লাইব্রেরি
কলেজ স্ট্রিটের এই বইয়ের দোকানটির প্রতিষ্ঠা ১৮৮৬ সালে। পরবর্তীকালে দোকানের দোতলাকেই বিনামূল্যের পাঠাগারের রূপ দেওয়া হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা এখানে বসে বই পড়তে পারেন আগ্রহী পাঠক। তবে সঙ্গে সঠিক পরিচয়পত্র সঙ্গে থাকা আবশ্যক। ঠিকানা – 54/3, কলেজ স্ট্রিট (প্রেসিডেন্সি কলেজের উলটোদিকে)।
* লিটল ফ্রি লাইব্রেরি
এই খুদে পাঠাগারটির চালিকাশক্তি নিখাদ ভরসা। অর্থাৎ ফিজ কিংবা মেম্বারশিপের বালাই নেই। পাঠক ইচ্ছেমতন বই নিয়ে পড়ে, তা ফেরত রেখে যাবেন নিজেই, বিশ্বাস পাঠাগার কর্তৃপক্ষের। চব্বিশ ঘণ্টাই খোলা এই ফ্রি লাইব্রেরি। ঠিকানা – 6A, মহারাজা নন্দ কুমার রায় রোড (লেক মলের কাছে)।
* উত্তরের আড্ডা চালিত ফ্রি লাইব্রেরি
শ্যামবাজার নিবাসী একটি দলের মস্তিস্কপ্রসূত এই আড্ডাখানা। ছোট্ট চায়ের দোকান সংশ্লিষ্ট গ্রাফিটিতে সাজানো বই ও পেইন্টিং ভর্তি এই লাইব্রেরি। ঠিকানা – রাজা দিনেন্দ্র স্ট্রিট, শ্যামবাজার (দেশবন্ধু পার্কের উলটোদিকে)।
* আইলিড স্ট্রিট লাইব্রেরি
কসবা, ভবানীপুর, বালিগঞ্জ, নিউটাউন, তোপসিয়া ছাড়াও ছোট ছোট পাড়াতে তৈরি হচ্ছে এই পথ-পাঠাগার। চব্বিশ ঘণ্টায় যখন ইচ্ছে বই পড়া যাবে বসে। ফিরিয়ে দেওয়া যাবে নিজের সময়মতো। কেবল ভরসাওটুকুই সম্বল এই পাঠাগারের।
