খেলার খবর
জিম্বাবুয়ের সামনে একটা বিরাট লক্ষ্য রেখে পিচ ছাড়ে ভারত। তাই আমাদের সকলেরই মনে হয়েছে জিম্বাবুয়ে একেবারেই ধরাশায়ী। কিন্তু শেষ বল পর্যন্ত বেশ লড়াই দিয়ে গেলো জিম্বাবুয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে পরাস্ত হয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছনোর অঙ্ক রীতিমতো জটিল করে ফেলে ভারত। তবে ভাগ্যদেবী সহায়! সুপার এইটের কার্যত সবচেয়ে দুর্বল দল জিম্বাবোয়েকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়ে লক্ষ্মীবারের চিপকে অগ্নিপরীক্ষায় ভালোভাবেই উতরে গেলেন হার্দিকরা। ৭২ রানে জয়ী ভারত। তবে পিকচার আভি বাকি হ্যায়। বলা ভালো, পিকচারের ক্লাইম্যাক্সই বাকি। আগামী রোববার যার সাক্ষী থাকতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। সেখানকার ফলাফলই বলে দেবে ভারত ইন নাকি আউট। এদিনের ম্যাচ শুরুর আগে সূর্যবাহিনীর কাজটা অনেকখানি সহজ করে দিয়েছিল প্রোটিয়ারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে। আর বাকি কাজটা করলেন ভারতীয় তারকারা।
স্কোরবোর্ড জানাচ্ছে -
ভারত: ২৫৬/৪ (অভিষেক-৫৫, হার্দিক-৫০*)
জিম্বাবোয়ে: ১৮৪/৬ (বেনেট- ৯৭*, অর্শদীপ- ৩/২৪)
ভারত জয়ী ৭২ রানে
কলকাতায় পা রাখার আগে দলের সবচেয়ে স্বস্তি অভিষেক শর্মার ফর্মে ফেরা। অসুস্থতা সারিয়ে আবারও চেনা ছন্দে তরুণ তুর্কি। দুরন্ত হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে যেন জানান দিলেন, ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট। চারটি করে বাউন্ডারি এবং ছক্কা হাঁকিয়ে ৫৫ রান করেন তিনি। নিন্দুকরা বলতে পারেন, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে বলেই হয়তো জ্বলে উঠলেন। কিন্তু শূন্যের হ্যাটট্রিকের পর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যে পুল, সুইপ শটে বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন, তা পরের ম্যাচের জন্য তাঁকে অক্সিজেন দেবে বইকী! তিলক বর্মাকে নিয়েও চিন্তার ভাঁজ কমল গম্ভীরের কপালে। মন্থর ব্যাটিংয়ের খোলস ঝেড়ে ১৬ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত রইলেন তিনি। সেই সঙ্গে অর্ধশতরান (অপরাজিত) করে হার্দিকও বুঝিয়ে দিলেন, তাঁকে ভুললেও চলবে না। গ্যালারিতে বসে তাঁর চোখ ধাঁধানো ইনিংস উপভোগ করলেন প্রেমিকা মাহিকা। এদিকে ভারতের কাছে দুরমুশ হয়ে এবারের মতো বিশ্বকাপকে বিদায় জানাল জিম্বাবোয়ে। তবে তাদের এই সফর নিঃসন্দেহে স্বরণীয় হয়ে থাকবে। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া হারানো থেকে সুপার এইটে ভারতকে জোর টক্কর দেওয়া, এ-ই বা কম কী?