সিপিএমের তরুণ তুর্কি প্রতীক উর নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো দলকে
যে তুর্কি নেতা বিমান বসুকে বলেন - "আপনার যে কোনও কথা আমার কাছে আদেশ।"সেই প্রতীক উর রহমান এখন সিপিএমের আভ্যন্তরিন বিদ্রোহের প্রতীক। দল ছাড়তে চেয়ে চিঠি পাঠানোর পর তাঁকে ফোন করেছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সূত্রের খবর, বিমানের মুখোমুখি হতে আপত্তি জানিয়েছে প্রতীক-উর। কিন্তু সেলিম? যে দল ছাড়ার কথা জানিয়েছেন প্রতীক-উর, সেই দলের রাজ্য় সম্পাদকই কোনও কথা বলছেন না। ‘হ্যাঁ’, ‘না’ কোনোওটাই না। সেই নীরবতা নিয়েই এবার মুখ খুললেন প্রতীক-উর। তরুণ এই নেতা বলেন, “আমি তো দলের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। আমার সঙ্গে কথা বলার সদিচ্ছা দেখাচ্ছে না। আসলে চায় না আমি পার্টিটা করি। রাজ্য সম্পাদক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বসে কথা বলতে পারেন, আর একজন প্রাক্তন (যদি ধরে নিই) সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে সমস্যা! অমুক নেতা-তমুক নেতাকে পাঠানোর কী মানে। এই নেতা ওই নেতাকে দিয়ে ফোন করাচ্ছেন।”
বিদ্রোহীর সুরে প্রতীক বলেন, তিনি আরও বলেন, “হয় বলুন কবুল কবুল কবুল, নয়ত বলে দিন তালাক তালাক তালাক”।তাকে প্রশ্ন করা হয়, যদি দল বলে 'তালাক' তাহলে কি করবেন? উত্তরে প্রতীক বলেন, “আগে তালাক দিক, তারপর বলব। খোরপোষ চাইব নাকি অন্য জায়গায় বিয়ে করব, সেটা তখন ঠিক করব।” প্রতীক-উরের স্পষ্ট বক্তব্য, “আমার এমএলএ-এমপি হওয়ার শখ নেই। আমার শখ হল, আমি সংগঠন করব, খিদে পেলে ঘুগনি মুড়ি খাব। চার চাকা গাড়িতে সেলিব্রিটি হওয়ার কোনও শখ আমার নেই।” স্বাভাবিক কারণেই দেশের আপামর বামপন্থী মনস্ক মানুষ তাকিয়ে আছে প্রতীক ও রাজ্য সিপিএমের দিকে।
