দুর্দান্ত খেলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলো নেদারল্যান্ড
বুধবার রাত ১০টায় ১৪২ কোটির ভারত উল্লাসে ফেটে পারেন অভিষেক বরুনদের নেদারল্যান্ড বধ দেখে। হ্যাঁ, ভারত জিতেছে। কিন্তু নেদারল্যান্ড-এর মত একটা দল কিন্তু রীতিমত লড়াই দিয়ে গেলো। ম্যাচটা ছিল নিয়মরক্ষার। কিন্তু ক্রিকেটদুনিয়ার অপেক্ষাকৃত দুর্বল দেশ নেদারল্যান্ডস সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দিল ভারতের সঙ্গে। সুপার এইটের আগে হাসতে হাসতে ম্যাচ জেতা হল না সূর্যকুমার যাদবদের। এদিনের জয়ের ব্যবধান পাকিস্তান ম্যাচের থেকেও কম। তবে টি-২০ বিশ্বকাপে অপরাজিত থাকার তকমা এখনও সেঁটে রয়েছে ভারতে নামের পাশে। বুধবার সন্ধেয় ভারত বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচ শুরুর আগেই সুপার এইটের আট দল নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। স্রেফ নিয়মরক্ষার ম্যাচ। কিন্তু ছিটকে গেলেও বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখতে সবরকম চেষ্টা চালিয়ে গেল ডাচ ব্রিগেড।
অভিষেক শর্মার খারাপ ফর্ম অব্যাহত। এদিনও তিনি ফিরলেন শূন্য রানে। প্রথম তিন ম্যাচে ঝড় তোলা ঈশান কিষানও এদিন ব্যর্থ। দুই ওপেনারকে প্যাভিলিয়নে ফেরান ভারতীয় বংশোদ্ভূত ডাচ বোলার আরিয়ান দত্ত। তিলক বর্মা, সূর্যদের ইনিংসও এদিন আহামরি কিছু ছিল না। বরং ১৪তম ওভারে মাত্র ১১০ রানে চার উইকেট খুইয়ে বেশ চাপেই ছিল ভারত। দলের রক্ষাকর্তা হয়ে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে হাজির হলেন শিবম দুবে। ৩১ বলে ৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে প্রাণ ফিরল ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপে। ঝড় তোলার চেষ্টা করলেন হার্দিক পাণ্ডিয়াও (৩০)। কিন্তু ‘দুর্বল’ দলের বিরুদ্ধে ২০০ রানের টার্গেট খাড়া করতে পারেনি ভারত। জয়ের জন্য ১৯৪ রানের লক্ষ্য ছিল ডাচদের সামনে। খানিকটা ধীরে চলো নীতিতে ইনিংস শুরু করেন মাইকেল লেভিট এবং ম্যাক্স ও’ডিড। কিন্তু একাই উইকেটে টিকে থেকে ইনিংস গড়ার মতো কেউ ছিল না ডাচ ব্রিগেডে। মূলত বরুণ চক্রবর্তীর ঘূর্ণির কাছেই পরাস্ত হল নেদারল্যান্ডস। তিন ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে নেন তিনি।
