বাংলাদেশের মাথার উপর বিপুল ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছেন ইউনুস
নতুন বাংলাদেশ। একদম নতুন চেহারায় সকলের সামনে উপস্থিত হবে। ১৭ বছর বিদেশে কাটিয়ে মায়ের মৃত্যুর সময় দেশে ফিরেই ধরে নিলেন দেশের হাল। ভোটের ট্রেন্ড বলছে, দুই দশক পর ক্ষমতায় আসছে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হবেন বিএনপি-র চেয়ারম্য়ান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বদল আসবে অনেক কিছু। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও শোধরাবে বলেও আশা করা হচ্ছে। তবে বিএনপি এসেই বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা ও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এর মধ্যে বাংলাদেশের গলায় সবথেকে বড় ফাঁস হল ঋণের, যা বিদায় নেওয়ার আগে আরও টাইট করে গিয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে পা দিতে হবে ডুবন্ত জাহাজে। দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ তিন বছরের বাজেট বরাদ্দের সমান। বাংলাদেশের ঘাড়ে রয়েছে ২০ লক্ষ কোটির ঋণ। আর আয়ের উৎস? বাংলাদেশের অর্থনীতি পুরোটাই বস্ত্র শিল্প নির্ভর। একটা আয় দিতে দেশ চলতে পারে না।
এই সহজ হিসাব বুঝিয়েছেন ওয়ারেন বাফেটও। কিন্তু বাংলাদেশ সেই শিক্ষা নেয়নি। করোনাকালের পর থেকেই ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্প ও তার উপরে নির্ভরশীল অর্থনীতি। এরপরে গণ-অভ্যুত্থান ও আন্দোলন। ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে বিগত ১৮ মাসে ২৫ হাজার কোটির অর্ডার বাতিল হয়েছে। বাংলাদেশের বরাতে ভাগ বসিয়েছে ভারত থেকে শুরু করে মায়ানমার, ভিয়েতনাম। তবে ট্রাম্প বাংলাদেশকে অনেকটা ছাড় দিয়েছেন। প্রথমে ১৯ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলেন। নির্বাচনের দুই দিন আগে ঘোষণা করেন যে বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পের উপরে কোনও শুল্ক নেওয়া হবে না। তবে এক্ষেত্রেও শর্ত রয়েছে। যদি আমেরিকার সুতো ও কাঁচামাল ব্যবহার করে বাংলাদেশ, তবেই এই শূন্য শুল্কের সুবিধা পাওয়া যাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশকে মার্কিন পণ্য আমদানি করতে হবে। এদিকে অর্থনীতি তো টালমাটাল। এই সংকট সামলানো তারেখের কাছে একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ।
.jpeg)