Type Here to Get Search Results !

আমাকে খাদের সীমানায় নিয়ে এসে ঠেলে ফেলে দিয়েছিলো মুকুল রায়' - কুনাল ঘোষ

 'আমাকে খাদের সীমানায় নিয়ে এসে ঠেলে ফেলে দিয়েছিলো মুকুল রায়' - কুনাল ঘোষ 



  একজন মানুষের মৃত্যুর পরে তাঁর সম্পর্কে এমন মন্তব্য শুনে স্তম্ভিত নাগরিক মহল। কোনো মানুষের প্রতি আমাদের ক্ষোভ থাকতেই পারে, তাই বলে মৃত্যুর পরেই মৃত ব্যক্তি সম্পর্ক এমন কটু মন্তব্য কোনো সভ্য মানুষ কি করতে পারে? হ্যাঁ, কুনাল ঘোষ পেরেছেন। "ও আমার ক্ষতি করার কারিগর। অনেক পরেও সিবিআইকে কত বড় মিথ্যা বয়ান দিয়ে আমাকে আরও ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। আমি দেখেছি, আমি জানি, ঈশ্বর আছেন।'', প্রয়াত মুকুল রায়ের স্মৃতিচারণায় পুরনো সেই দিনের 'অপ্রিয় কথা' তুলে ধরলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। প্রসঙ্গত, রবিবার রাত দেড়টায় সল্টলেকের এক বেসরকারি হাসপাতালে প্রাণ হারান মুকুল রায়। তারপরই অনীল বিশ্বাস পরবর্তী বাংলার রাজনীতির 'চাণক্য' মুকুল রায়ের স্মৃতিতে একাধিক পোস্ট হতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর সেই তালিকায় অবশেষে নাম লেখালেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও। 


  নিজের লেখার প্রথমে তিনি মুকুল রায়ের শান্তি কামনাই করেন। কুণাল লেখেন, 'মুকুল রায় প্রয়াত, চিরশান্তিতে থাকুক। দীর্ঘকাল চিনি। সাংবাদিক হিসেবে বা পরে রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে। একটা সময়ে মমতাদির পরম অনুগত। দলের কঠিন সময়েও তৃণমূলভবন আগলে পড়ে থাকত। কর্মীদের সময় দিত। দিদির নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ ছিল। বাংলা চিনত।' এরপরই লেখার মোড় বদলে যায়। নিজের ক্ষোভের কথা শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করেন কুণাল। তিনি লেখেন, 'পরে সময়ের সঙ্গে বদল। আমার রাজনৈতিক উচ্চাশা ছিল না। তবু, রজ্জুতে সর্পভ্রম করে আমাকে বধ করার দরকার মনে করেছিল। আমার বিশ্বাসের মর্যাদা না দিয়ে আমাকে খাদের ধারে নিয়ে গিয়ে ঠেলে ফেলে দেওয়ার মূল কারিগর ছিল মুকুলদা...'। তবে এহেন মুকুলদারও সুস্থতা চেয়েছেন কুণাল। তিনি লেখেন, 'আরও পরে মুকুলদা অসুস্থ। মনেপ্রাণে চেয়েছি, সেরে উঠুক। ওর ছেলে শুভ্রাংশুর সঙ্গে আমার টুকটাক যোগাযোগ থাকে। মুকুলদাকে দেখতেও গেছি। শুভ্রাংশু ও পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা।'

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.