Type Here to Get Search Results !

দুই নেতার জন্য বিধানসভা রসিকতায় পরিনত হচ্ছে

 দুই নেতার জন্য বিধানসভা রসিকতায় পরিনত হচ্ছে 




  বিধানসভা বা লোকসভা মানেই দেশের বেশ কিছু শিক্ষিত মানুষ নিজেদের যুক্তিবানে পরস্পরকে আক্রমন ও প্রতিআক্রমন করবেন। সমস্ত রাজ্য বা দেশের মানুষ তা দেখে ও শুনে নিজেদের সমৃদ্ধ করবেন। কিন্তু হাতভাগ্য আমরা। সেই বিধানসভা এখন আর নেই। এখন শুধু পরস্পরকে ব্যক্তিগত আক্রমন - যা ঘটলো শুক্রবার। তাঁদের দু’জনের বাবা-ই দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি থেকেছেন। তাঁরা নিজেরাও জনপ্রতিনিধি। বর্তমানে একজন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী। অন্যজন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। আর সেই উদয়ন গুহ ও শুভেন্দু অধিকারী পরস্পরের বাবাকে টেনে দ্বন্দ্বে জড়ালেন বিধানসভায়। শুক্রবার উদয়ন ও শুভেন্দুর এই আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে উত্তপ্ত হয়ে উঠে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। এদিন বাজেট বিতর্কের আলোচনায় বক্তৃতা করছিলেন বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী। ওড়িশা সরকার কীভাবে উন্নয়নের কাজ করছে, সেই উদাহরণ তিনি দিচ্ছিলেন। সেই সময় মন্ত্রী উদায়ন গুহ বলেন, “ওরা তো বাঙালিদের মারছে। কিছু বলুন।” সেই কথা শুনে বিজেপির বেঞ্চ থেকে হই হই করে ওঠেন বিধায়করা। তার পরেই শুরুহয় আসল নাটক।


  এই সময় শুভেন্দু অধিকারী উদয়নের উদ্দেশে বলেন, “আপনি তো আপনার বাবাকে চোর বলেছেন।” একথা শুনে তৃণমূল বিধায়করা সরব হন। দুই পক্ষ হইচই শুরুর পর স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় দু’পক্ষকেই থামিয়ে ফের বক্তৃতা শুরু করতে বলেন। এরপর উদয়ন গুহ স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বলেন, “আমার বাবা কমল গুহ সাতবার বিধায়ক ছিলেন। ১৯ বছর মন্ত্রী ছিলেন। আমার বাবার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমি কিছু সমালোচনা করেছিলাম। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী প্রমাণ করে দিক, আমি আমার বাবাকে চোর বলেছি।” এরপরই উদয়ন গুহ বলেন, “আপনি তো শিশিরবাবুর ছেলে। কিন্তু নিজেকে বলেন মোদীর ব্যাটা। তাহলে আপনি আসলে কার ছেলে?”উদয়ন গুহর এই মন্তব্যে বাজেটের অধিবেশনের মধ্যে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। দু’পক্ষই একে অপরের দিকে আঙুল তুলে স্লোগান দিতে থাকেন।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.