Type Here to Get Search Results !

গোবিন্দভোগসহ তিন সুগন্ধি চাল ও ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে FAO-এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, মমতা উচ্ছ্বসিত

 গোবিন্দভোগসহ তিন সুগন্ধি চাল ও ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পকে FAO-এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, মমতা উচ্ছ্বসিত






 রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) পশ্চিমবঙ্গের গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি ও কনকচূড়—এই তিন সুগন্ধি চালকে আন্তর্জাতিক ‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের পশ্চিমাঞ্চলের অনুর্বর জমি পুনরুজ্জীবিতকারী ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পটিও এই সম্মান লাভ করেছে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই সুসংবাদ শেয়ার করে গর্ব ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।গোবিন্দভোগ চাল দেশজুড়ে বিখ্যাত, নদিয়া, বর্ধমান, হুগলি, বাঁকুড়া, বীরভূমে এর চাষ হয়। তুলাইপাঞ্জি উত্তর দিনাজপুরের পরিচয়, কনকচূড় দক্ষিণ ২৪ পরগনার গৌরব। এই চালগুলো রাজ্যের যেকোনো প্রান্তে পাওয়া যায়। ২০২০ সালে শুরু ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্প পুরুলিয়া, বাঁকুড়া প্রমুখ জেলার একফসলি জমিকে বহুফসলি করে শাকসবজি-ফল চাষ চালু করেছে। পুকুর খনন ও সেচ ব্যবস্থায় লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, UN আবারও আমাদের একটি পথিকৃৎ উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ইউনাইটেড নেশনসের FAO আমাদের ‘মাটির সৃষ্টি’ কর্মসূচীকে দিয়েছে এই আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যবান স্বীকৃতির শংসাপত্র।” প্রকল্পের সাফল্যে অনুর্বর জমি বছরব্যাপী চাষযোগ্য হয়েছে। তিনি যোগ করেছেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে আরও জানাচ্ছি যে, UN (FAO) এর পাশাপাশি বাংলার বিখ্যাত সুগন্ধি চাল—গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড়কে আন্তর্জাতিক ‘খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং আমাদের খাদ্য সংস্কৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে এইসব আন্তর্জাতিক সম্মান বাংলার কাজের এক বিশাল স্বীকৃতি। এই গৌরব আমি গ্রামবাংলার সকল মানুষ, বিশেষ করে বাংলার কৃষক ভাই-বোনদের উৎসর্গ করছি।” FAO-এর ডিরেক্টর জেনারেলের শংসাপত্র শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রী এই স্বীকৃতিকে রাজ্যের কৃষক সম্প্রদায়ের জয় বলে উল্লেখ করেছেন। এটি বাংলার কৃষি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিশ্বমান্যতা নিশ্চিত করেছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.