আরো জোরালো হচ্ছে রাহুলের মৃত্যু রহস্য। সকলের মুখেই এককথা দ্রুত তদন্ত হয় দরকার। চোখের পলকে যেন সব শেষ। কয়েক ঘণ্টা আগে শুটিং করছিলেন রাহুল, সেই অভিনেতাই আজ নেই। তালসারিতে ‘অরুণাস্ত’। রাহুলের সলিল সমাধি। সোমবার ময়নাতদন্তের পর তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। অনুমতি ছাড়াই শুটিং করা হয়েছে বলেই অভিযোগ ওড়িশা পুলিশের। তালসারি পুলিশের সঙ্গে দিঘা পুলিশ যোগাযোগ করেছে। তমলুক হাসপাতালে অভিনেতার দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। তারপরই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তবে কলকাতায় দ্বিতীয় তদন্তের দাবি উঠেছে।
রাহুলের মৃত্যুতে দিঘা থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিনেতার বিজয়গড়ের বাড়িতে যান প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। শোকস্তব্ধ পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাছাড়া রাহুলের বাড়িতে টালিগঞ্জ আসনের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। কথা বলেন পরিবারের সঙ্গে। পরে বেরিয়ে এসে তদন্তের দাবি তোলেন। পাপিয়ার কথায়, "এইটুকু বয়সে ও যা করেছে, ওকে ভুলতে পারব না। তদন্ত অবশ্যই হওয়া উচিত। অনুমতিও নেওয়া উচিত ছিল। প্রযোজনা সংস্থার দেখা উচিত ছিল।" শেষ খবরে জানা যাচ্ছে, তমলুকে ময়না তদন্তের পর বিকেলের দিকে কলকাতায় আনা হবে রাহুলের দেহ। খুব সম্ভবত মেডিক্যাল কলেজে ফের ময়নাতদন্ত হতে পারে অভিনেতার।