Type Here to Get Search Results !

ইরানের ১৫০ ছাত্রীকে খুন করেছে ট্রাম্প - এখন তা স্পষ্ট

 আন্তর্জাতিক 



  ট্রাম্প শুধুই রক্ত চায়। যুদ্ধের কোনো নীতি না মেনে ইরানের এক স্কুলের উপর মিসাইল হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। আর তাতেই প্রাণ গেছে ১৫০ জান ছাত্রীর। প্রথমে ট্রাম্প স্বীকার করতেই চায় নি যে তারা হামলা চালিয়েছে। কিন্তু এবার পরিষ্কার হলো। যুদ্ধ শুরু হয়েছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। ওই দিনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যেমন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ ইরানের ৪৮ শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়, তেমনই মিনাবে শাজারা তায়েব প্রাথমিক স্কুলে আছড়ে পড়ে একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল। চোখের নিমেষে ধ্বংসস্তূপে পরিণত বালিকা বিদ্যালয়টি। মৃত্যু হয় ১৫০ জনের। অধিকাংশই ছাত্রী। প্রাথমিক ভাবে ইজরায়েল বা আমেরিকা, কেউ এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। পরে জানা যায়, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়েছিল ওই স্কুলে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহার করে আমেরিকা, যা ইজরায়েলের কাছে নেই। 


  নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তর এই হামলার তদন্ত চালাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য দায়ী আমেরিকাই। এও বলা হয়েছ, স্কুল লাগোয়া একটি ইরানি ঘাঁটিতে হামলা চালাতে গিয়ে ভুল করে স্কুলে হামলা চালায় আমেরিকা। নেপথ্যে পুরনো তথ্য। এক সময় ওই স্কুলটিও সেনাঘাঁটির অংশ ছিল। সেই মতো হামলার নির্দেশ দেয় পেন্টাগন। অর্থাৎ, রাষ্ট্রের ভুলে বেঘোরে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক পড়ুয়ার। এখন অবধারিত প্রশ্ন উঠছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে কেন তথ্য যাচাই করা হল না? মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পাশাপাশি একটি বেসরকারি সংস্থাও নিজেদের মতো করে ইরানের স্কুলে হামলার তদন্ত করছে। ‘বেলিংক্যাট’ নামের সংস্থাটি দাবি করেছে, হামলার জন্য আমেরিকাই দায়ী। সব মিলিয়ে চাপ বাড়ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপরে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট অবশ্য ‘তদন্ত চলছে’ বলে দায় এড়াচ্ছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.