বাঁকুড়ার কুশমুড়ি গ্রামের দোল উৎসব - যেন এক মিলন মেলা
মূলত মহিলাদের উদ্যোগেই গত ৫ বছর আগে কুশমুড়ি গ্রামে শুরু হয় এই দোল উৎসবের অনুষ্ঠান। এখন তা একটা মহা মিলনের কেন্দ্র। গ্রামের মহিলাদের উদ্যোগে গত পাঁচ বছর ধরে এই উৎসব হয়ে আসছে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে। তাঁদের একতা, পরিশ্রম আর ভালোবাসায় দোলের দিনটি হয়ে ওঠে সত্যিই বিশেষ। সকালের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় গ্রাম পরিক্রমা। ভক্তিমূলক গান, শঙ্খধ্বনি আর আনন্দমুখর পরিবেশে গ্রামবাসীরা অংশ নেন এই শোভাযাত্রায়। রাধা দামোদর জিও ঠাকুরের আশীর্বাদ কামনায় সকলে একসঙ্গে প্রার্থনা করেন। চারদিকে যেন ভক্তি আর উৎসবের আবহ মিশে যায়।
এরপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গ্রামের ছোট ছোট শিশু থেকে শুরু করে ঘরের বৌমারা—সবাই নৃত্য পরিবেশনে অংশ নেন। রঙিন পোশাক, মুখে হাসি আর মনভরা উৎসাহে তাঁদের পরিবেশনা মুগ্ধ করে উপস্থিত সকলকে। এই মঞ্চই হয়ে ওঠে গ্রামের প্রতিভা প্রকাশের এক সুন্দর সুযোগ।দুপুর গড়াতেই শুরু হয় আবির খেলা। ছোট-বড় সকলেই রঙে রঙে মেতে ওঠেন। হাসি, আনন্দ আর একে অপরকে রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে দোল উৎসব হয়ে ওঠে মিলন আর ভালোবাসার প্রতীক।এইভাবে কুশমুড়ি গ্রামের দোল উৎসব শুধুই একটি পার্বণ নয়, এটি গ্রামের ঐক্য, সংস্কৃতি আর নারীদের নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। প্রতিবছর এই উৎসব আরও বড় পরিসরে, আরও বেশি আনন্দ নিয়ে ফিরে আসুক—এই কামনাই সকলের।
গ্রামের মহিলাদের উদ্যোগে গত পাঁচ বছর ধরে এই উৎসব হয়ে আসছে অত্যন্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে। তাঁদের একতা, পরিশ্রম আর ভালোবাসায় দোলের দিনটি হয়ে ওঠে সত্যিই বিশেষ। সকালের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় গ্রাম পরিক্রমা। ভক্তিমূলক গান, শঙ্খধ্বনি আর আনন্দমুখর পরিবেশে গ্রামবাসীরা অংশ নেন এই শোভাযাত্রায়। রাধা দামোদর জিও ঠাকুরের আশীর্বাদ কামনায় সকলে একসঙ্গে প্রার্থনা করেন। চারদিকে যেন ভক্তি আর উৎসবের আবহ মিশে যায়।এরপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গ্রামের ছোট ছোট শিশু থেকে শুরু করে ঘরের বৌমারা—সবাই নৃত্য পরিবেশনে অংশ নেন। রঙিন পোশাক, মুখে হাসি আর মনভরা উৎসাহে তাঁদের পরিবেশনা মুগ্ধ করে উপস্থিত সকলকে। এই মঞ্চই হয়ে ওঠে গ্রামের প্রতিভা প্রকাশের এক সুন্দর সুযোগ। দুপুর গড়াতেই শুরু হয় আবির খেলা। ছোট-বড় সকলেই রঙে রঙে মেতে ওঠেন। হাসি, আনন্দ আর একে অপরকে রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে দোল উৎসব হয়ে ওঠে মিলন আর ভালোবাসার প্রতীক।এইভাবে কুশমুড়ি গ্রামের দোল উৎসব শুধুই একটি পার্বণ নয়, এটি গ্রামের ঐক্য, সংস্কৃতি আর নারীদের নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। প্রতিবছর এই উৎসব আরও বড় পরিসরে, আরও বেশি আনন্দ নিয়ে ফিরে আসুক—এই কামনাই সকলের।
