সকলকে চমকে দিয়ে নতুন পেশায় বাবর
হাতে ব্যাট থাকার কথা। কিন্তু কোথায় ব্যাট। এ যে খুন্তি! ঈদে মন দিয়ে রান্না করছে বাবার। পাকিস্তানের বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেলেও ভাল খেলতে পারেননি বাবর। চারটি ইনিংসে ২২.৭৫ গড় ও ১১২.৩৪ স্ট্রাইক রেটে ৯১ রান করেছেন তিনি। শেষ দিকে তাঁকে দল থেকে বাদ দিতে বাধ্য হন কোচ মাইক হেসন ও অধিনায়ক সলমন আলি আঘা। বিশ্বকাপের পরেই বাবর ও ফখর জ়মানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, চোট লুকিয়ে খেলেছেন তাঁরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে থেকেই চোটে ভুগছিলেন বাবর এবং ফখর। বিশ্বকাপের পর সলমনদের দলের পারফরম্যান্সের ব্যাখ্যা দেওয়ার সময় বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন অন্যতম নির্বাচক আকিব জাভেদ। গত জানুয়ারিতে পিসিবির মেডিক্যাল প্যানেলের ডিরেক্টর হিসাবে যোগ দিয়েছেন মুঘল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর তিনি পাকিস্তান দলের ক্রিকেটারদের শারীরিক পরীক্ষা করেন। তাতেই দুই ক্রিকেটারের চোটের কথা জানা যায়।
পরে জাতীয় টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা থেকে বাবর সরে দাঁড়ানোয় সন্দেহ আরও গাঢ় হয়। জানা যায়, বাবর বেশ কিছু দিন ধরে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ভুগছেন। ফখরেরও একই ধরনের চোট রয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে পিসিবির এক কর্তা বলেছেন, ‘‘বিশ্বকাপের পর যখন বাবরের পরীক্ষা করা হয়, তখন চোট অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। প্রথমে হালকা চোট ছিল। জ়ামানও একই রকম চোটে ভুগছে কয়েক মাস ধরে। ওদের চোটগুলো নতুন নয়। টানা খেলে যাওয়াতেই চোট গুরুতর হয়ে গিয়েছে।’’ যদিও পাকিস্তানের নির্বাচক কমিটি জানিয়েছে, দলের ফিজিয়ো ক্লিফ ডিকনের রিপোর্টের ভিত্তিতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে রাখা হয়েছিল বাবর এবং ফখরকে। বাবর এবং জ়ামান কেন নিজেরা চোটের কথা জানাননি, তা-ও জানার চেষ্টা করছেন পিসিবি কর্তারা। তার মাঝেই এ বার নতুন ভূমিকায় দেখা গেল বাবরকে।
