প্রথম বলেই ৬ মেরে এগিয়ে যায় ভারত। তৈরী হয়ে যায় চূড়ান্ত মনোবল। খেলার শেষে বোঝা যায় এই ভারতকে হারানোর শক্তি অন্তত এই মুহূর্তে বিশ্বে আর নেই। তবে ফিল্ডিংয়ে যথেষ্ট দুর্বলতা এখনও আছে। দ্বিতীয়বার টি-২০ বিশ্বকাপের ট্রফি ঘরে তুলে ভারত বুঝিয়ে দিল, কেন তারা আজ ক্রিকেটের শেষ কথা। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় কেবল পরিসংখ্যান নয়, বরং টিম ইন্ডিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্যের দলিল। কিন্তু কীভাবে এল এই সাফল্য? কেন কিউয়িরা দাঁড়াতেই পারল না? কাটাছেঁড়া করলে উঠে আসছে পাঁচটি প্রধান কারণ। বিস্ফোরক ব্যাটারদের দাপট: ফাইনালে ২৫৫ রানের পাহাড়প্রমাণ স্কোরই নিউজিল্যান্ডকে মানসিকভাবে অর্ধেক ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। সঞ্জু স্যামসনের বিধ্বংসী ৮৯ রানের পাশাপাশি অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিষাণের দ্রুতগতির হাফ-সেঞ্চুরি ভারতের ইনিংসকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যায়, যা টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে আগে কখনও দেখা যায়নি।
বুমরাহ থাকা মানেই যেন বিপক্ষের অর্ধেক উইকেট ড্রেসিংরুমে। ১৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে কিউয়ি ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনি। তাঁর নিখুঁত ইয়র্কার আর স্লোয়ারের কোনো উত্তর ছিল না স্যান্টনারদের কাছে। বড় রান তাড়া করতে গেলে পাওয়ার-প্লে’তে যে শুরুটা প্রয়োজন ছিল, নিউজিল্যান্ডকে তা করতে দেয়নি ভারতীয় পেসাররা। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় কিউয়িরা।মাঝের ওভারগুলোতে রান আটকানোর গুরুদায়িত্ব ছিল স্পিনারদের কাঁধে। অক্ষর প্যাটেল ও বরুণ চক্রবর্তী নিখুঁত লাইন-লেংথে বল করে রান তোলার গতিতে তালা লাগিয়ে দেন। যার ফলে আস্কিং রেট আকাশচুম্বী হয়ে পড়ে।